Water Bottle MRP: ২০ টাকার জলের বোতল ৫৫ টাকা! মহিলার অভিযোগে আইনি বিপাকে রেস্তোরাঁ
নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত ৩৫ টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ওই মহিলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন।
Truth of Bengal: রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রেই জলের বোতলের দাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি নেওয়া হয়। তবে এবার এই প্রথার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জয় পেলেন চণ্ডীগড়ের এক মহিলা। প্যাকেটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এমআরপি বা সর্বোচ্চ খুচরো মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া যে দণ্ডনীয় অপরাধ, রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনের রায়ে তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর। ওই দিন চণ্ডীগড়ের একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন জনৈক এক মহিলা। খাবারের সঙ্গে তিনি এক বোতল পানীয় জল কেনেন। বিল মেটানোর সময় তিনি লক্ষ্য করেন যে, ২০ টাকা দামের জলের বোতলের জন্য রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাঁর কাছ থেকে ৫৫ টাকা দাবি করেছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত ৩৫ টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ওই মহিলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন। প্রাথমিকভাবে জেলা ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন তাঁর অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল। তবে দমে না গিয়ে তিনি রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনের কাছে আপিল করেন। মামলার শুনানিতে রেস্তোরাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, এয়ার কন্ডিশন পরিষেবা, বসার জায়গা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অতিরিক্ত খরচ হয়। সেই কারণেই জলের বোতলের দাম কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে।
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি পুরোপুরি নাকচ করে দেয় কমিশন। রায়ে জানানো হয়, রেস্তোরাঁ তাদের নিজস্ব তৈরি খাবারের দাম নিজের ইচ্ছেমতো ঠিক করতে পারলেও জলের বোতলের মতো প্যাকেটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে তা করতে পারে না। কমিশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য বা এমআরপির মধ্যেই বিক্রেতার লাভ ও আনুষঙ্গিক সমস্ত খরচ ধরা থাকে। তাই প্যাকেটজাত পণ্যের গায়ে লেখা দামের চেয়ে এক পয়সাও বেশি নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়। আদালত ওই মহিলাকে বাড়তি নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রেস্তোরাঁকে ৩০০০ টাকা জরিমানাও করেছে। এই অর্থ ওই মহিলার মানসিক হয়রানির ক্ষতিপূরণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে।





