মমতাকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা! প্রমাণ দিতে না পারলে মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
এমনকি তাঁর কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য সংবলিত ‘পেনড্রাইভ’ রয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
Truth Of Bengal: আইপ্যাক (I-PAC) দফতরে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর সুর চড়ানো এবং পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর আইনি নোটিস- সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত। কয়লা কেলেঙ্কারি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকে মানহানির নোটিস পাঠালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
West Bengal LoP Suvendu Adhikari has sent a defamation notice to West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee, demanding that she produce all alleged evidence within 72 hours.
“It has come to the knowledge of my client that on 08.01.2026 and again on 09.01.2026, you have made… pic.twitter.com/b4XtyRQnuQ
— ANI (@ANI) January 9, 2026
সল্টলেকের আইপ্যাক দফতরে ইডির তল্লাশির প্রতিবাদে গত শুক্রবার যাদবপুর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এক দীর্ঘ প্রতিবাদ মিছিল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শেষে হাজরার সভা থেকে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থা ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ইঙ্গিত করে তিনি অভিযোগ করেন যে, তাঁরা কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত। এমনকি তাঁর কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য সংবলিত ‘পেনড্রাইভ’ রয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি মানহানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ৮ এবং ৯ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছাড়াই ভিত্তিহীন এবং বেপরোয়া অভিযোগ করেছেন। শুভেন্দুর দাবি, নিজের পরিবার ও দলের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তদন্ত থেকে জনমানসের নজর ঘোরাতেই মুখ্যমন্ত্রী এই ‘অশুভ পরিকল্পনা’ করেছেন।
আইনি নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর দাবির সপক্ষে সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ শুভেন্দু অধিকারীর হাতে তুলে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা করতে ব্যর্থ হলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ধারায় মানহানির মামলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে বিরোধী দলনেতা লেখেন, “ব্যক্তিগত অপমানের উদ্দেশ্যে জনসমক্ষে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে। এতে কেবল আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়নি, জনসমক্ষে আলোচনার মর্যাদাও নষ্ট হয়েছে।” তিনি আরও জানান যে, অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন।






