ধসের কবলে দুধিয়া আয়রন ব্রিজ, মিরিক-কার্শিয়াং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
এছাড়া, কার্শিয়াংয়ের কাছে জাতীয় সড়ক ১১০-র হুসেন খোলা এলাকাতেও ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে।
Truth Of Bengal: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলায় মিরিক এলাকায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বর্ষণের জেরে এই ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। দুর্গত এলাকায় মিরিক ও কার্শিয়াংকে সংযুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ দুধিয়া আয়রন ব্রিজ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় প্রভাব পড়েছে।(Darjeeling Landslide)
ধসের কবলে দুধিয়া আয়রন ব্রিজ, মিরিক-কার্শিয়াং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন pic.twitter.com/R0kyZgFGvx
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) October 5, 2025
এছাড়া, কার্শিয়াংয়ের কাছে জাতীয় সড়ক ১১০-র হুসেন খোলা এলাকাতেও ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় ও জাতীয় সড়কজুড়ে কাদা ও পাথরে রাস্তা ঢেকে গেছে, যার ভিডিও চিত্র ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। আবহাওয়া দফতর দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলাগুলির জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। রবিবার সকাল পর্যন্ত অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।(Darjeeling Landslide)
ভারতীয় আবহাওয়া অধিদফতরের (IMD) তথ্যমতে, সুস্পষ্ট নিম্নচাপের ফলে সোমবার সকাল পর্যন্ত সাব-হিমালয়ান পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেশী আলিপুরদুয়ার জেলাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রবল বর্ষণের ফলে জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজারে বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায় চলে গেছে। তিস্তা, মাল সহ পাহাড়ি নদীগুলির জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে, ফলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। (Darjeeling Landslide)
আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই অঞ্চলে সোমবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। নিম্নচাপটি পশ্চিম ঝাড়খণ্ড ও সংলগ্ন দক্ষিণ বিহার, দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তর ছত্তীসগঢ় অঞ্চলে অবস্থান করছে এবং শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে এটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় – মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদিয়াতে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে সোমবার সকাল পর্যন্ত। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮:৩০ পর্যন্ত) দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে বাঁকুড়া জেলায় সর্বোচ্চ ৬৫.৮ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে উত্তরবঙ্গের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের তরফে উদ্ধার এবং পুনর্গঠনের কাজ চললেও, টানা বৃষ্টির কারণে সেই প্রচেষ্টা বাধার মুখে পড়ছে।



