লক্ষ্মীপুজোতে ব্যস্ততা তুঙ্গে, বাজার মাতাচ্ছে রেডিমেড নাড়ু-মোয়া
দোকান থেকেই কিনে নিচ্ছেন গৃহলক্ষ্মীরা।তাঁদের একটাই কামনা সুখ-সমৃদ্ধির।
Truth Of Bengal: এসো মা লক্ষ্নী,বসো ঘরে,আমারই ঘরে থাকো আলো করে…এই কামনা করে লক্ষ্মী আরাধনায় মেতে উঠতে তৈরি বাংলার ঘরনীরা।বর্তমান ডিজিটাল যুগে,,নতুন প্রজন্ম নিজস্ব ছন্দে জীবন যাপন করছে।কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁরা পুজোর কাজে বেশি সময় দিতে পারে না।তাই জেন-জি বা নবপ্রজন্মের মহিলারা পুজোর সময় বাইরে থেকে কেনাকাটা করেই উত্সবের সবকিছু উপকরণ জোগাড় করার চেষ্টা করেন। কারণ আগেকার দিনে মা-মাসিরা যেমন,ঘরে বসে নাড়ু –মোয়া তৈরি করতেন,এখন গৃহলক্ষ্মীরা বাইরের পুজোর সামগ্রীও উপকরণ দিয়েই কোজাগরী লক্ষ্মীর পুজোপাঠ করছেন।(Laxmi Pujo )
সোমবার কোজাগরি লক্ষ্মীপুজো রয়েছে।সেই লক্ষ্মীপুজোর জন্য প্রস্তুতি চলছে ঘরে ঘরে। ব্যস্ত মহিলাদের কথা ভেবে রেডিমেড নাড়ুও মোয়ার প্রস্তুতকারকরা বাজার ধরার কাজে নেমে পড়েছেন।উত্তরবঙ্গের কালিয়াগঞ্জের নাড়ুও মোয়া বিক্রেতারা সবকিছু ছেড়ে এখন এইকাজই করছেন।(Laxmi Pujo)
কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোর ধর্মীয় মাহাত্ম্য রয়েছে। বাংলায় এই কোজাগরী শব্দের উৎপত্তি ‘কো জাগতি’ থেকে। যার আক্ষরিক অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ হিন্দু শাস্ত্রে কথিত, ধনসম্পত্তি ও সমৃদ্ধির দেবী মা লক্ষ্মী আশ্বিনের শেষ পূর্ণিমায় স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেক মানুষকে আশীর্বাদ করেন তিনি। যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, তার ঘরে প্রবেশ করেন না লক্ষ্মী। ফিরে আসেন সেখান থেকে। তাই লক্ষ্মীপুজোর রাত জেগে কাটানোর রীতি চলে আসছে বহু যুগ ধরে।মহালক্ষ্মীর আরাধনার আগে নাড়ু-মোয়া বিক্রিবাটার চল বেড়েছে। দোকান থেকেই কিনে নিচ্ছেন গৃহলক্ষ্মীরা।তাঁদের একটাই কামনা সুখ-সমৃদ্ধির। লক্ষ্মী ভক্তরা বলছেন, ধন-সম্পদ, সৌভাগ্য, সৌন্দর্য এবং সমৃদ্ধির দেবীর আগমন ঘটুক ঘরে।আর ব্যবসায়ীরা চাইছেন ধনলক্ষ্মীর আগমন।(Laxmi Pujo )


