ফি বছর বাড়ি-জমি গিলে খায় রাক্ষুসে পদ্মা, ভাঙনের কান্না শুনেও টাকা দেয় না কেন্দ্র
মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রাধাকৃষ্ণপুরের মানুষ তাই জীবনের খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে কঠিন লড়াই লড়ছেন।
Truth Of Bengal: পদ্মার রাক্ষুসে চেহারা যাঁরা দেখেছেন তাঁদের রাতের ঘুম উড়ে যাচ্ছে। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ ২নম্বর ব্লকের রাধাকৃষ্ণপুরের মানুষ তাই সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কায় ভুগছে।একসময় কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এইসব মানুষদের জীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসে।রূপোলি পর্দাতেও কীর্তিনাশা পদ্মার কাহিনী উঠে আসে।সেই পদ্মা এখন বেহিসেবি পার গিলে খেতে ব্যস্ত। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রাধাকৃষ্ণপুরের মানুষ তাই জীবনের খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে কঠিন লড়াই লড়ছেন। ভাঙনের আশঙ্কা করে বেশ কিছু দিন আগে থেকে এলাকাবাসী নিজেদের বাড়ি-ঘর ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যান। এর মধ্যে বিঘের পর বিঘে জমি পদ্মা গর্ভে তলিয়ে গেছে। এমনকি এই এলাকায় যাঁদের বসত বাটি তাঁদের বাড়ির কাছেই পদ্মা ফুঁসতে থাকায় বুকফাটা হাহাকারও শোনা যাচ্ছে।নদী ভাঙন রোধে কেন্দ্র উত্তরবঙ্গের নানা জেলার মতোই দক্ষিণবঙ্গের এই জেলার ভাঙন রোধে একটাকাও দেয়নি বলে অভিযোগ।(Murshidabad)
কয়েকবছরে মুর্শিদাবাদে পদ্মার পেটে চলে গেছে কয়েকশ জমিও জনপদ। রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের বিডিও দেবোত্তম সরকার জানিয়েছেন ‘এর আগে ভাঙন কবলিত এলাকায় খাওয়ানো ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বুধবার থেকে নতুন করে ভাঙ্গন এলাকায় পরিদর্শন করা হয়েছে। পদ্মা পাড়ের স্থানীয় রাধাকৃষ্ণপুর বাপুজি প্রাথমিক স্কুলে রেখে প্রশাসন খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছে।(Murshidabad)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামান আশ্বাস দিয়েছেন ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।আমজনতাকে অথৈ জল থেকে উদ্ধার করার জন্য প্রশাসন সজাগ ভূমিকা নিচ্ছে।আশা করা হচ্ছে জরুরিভিত্তিতে নদী সংস্কারের কাজ শুরু হলে রক্ষাকবচ পাবে মুর্শিদাবাদের মানুষ।(Murshidabad)






