দেশ

Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে দুর্যোগের ঘনঘটা, দেরাদুনের পর এবার চামোলিতে মেঘভাঙা বৃষ্টি, নিখোঁজ ৭

বুধবার গভীর রাতে চামোলির নন্দনগর ঘাট এলাকায় আকস্মিক মুষলধারে বৃষ্টির জেরে পাহাড় ধসে পড়ে। ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই প্রবল জলস্রোত বইতে শুরু করে।

Truth of Bengal: উত্তরাখণ্ডে চলতি বর্ষা মরসুম যেন এক ভয়াবহ অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে। পাহাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এবার চামোলি জেলায় মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে ধস এবং হড়পা বান নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল। বুধবার গভীর রাতে চামোলির নন্দনগর ঘাট এলাকায় আকস্মিক মুষলধারে বৃষ্টির জেরে পাহাড় ধসে পড়ে। ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই প্রবল জলস্রোত বইতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হড়পা বানে বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেসে গিয়েছে এবং বহু কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Uttarakhand)।

আরও পড়ুনঃ Scientific Heritage: রবীন্দ্রনাথ থেকে রামমোহন, বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার সেই গৌরবময় অধ্যায়

চামোলির জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ইতিমধ্যেই ২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। চামোলির জেলাশাসক সন্দীপ তিওয়ারি জানান,“মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে নন্দনগর ঘাট অঞ্চলে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ৬টি বসতবাড়ি ধসের কাদামাটির নীচে চাপা পড়ে গিয়েছে। আমরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছি, নিখোঁজদের খোঁজ চলছে।” পাহাড় থেকে ভেঙে পড়া ঘরবাড়ি ও গাছপালাও জলস্রোতের সঙ্গে ভেসে এসেছে নিচের দিকে। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে টানা বৃষ্টিপাত (Uttarakhand)।

এই ঘটনার একদিন আগেই, মঙ্গলবার দেহরাদুন অঞ্চলেও মেঘভাঙা বৃষ্টির পর ধস ও হড়পা বানের জেরে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ১৭ জন নিখোঁজ, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। দেরাদুন ও তার সংলগ্ন এলাকায় ধসের কারণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে মুসৌরি ও আশেপাশের এলাকায় প্রায় ২,৫০০ পর্যটক আটকে পড়েছেন। উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে বাধা হচ্ছে ক্রমাগত বৃষ্টিপাতে (Uttarakhand)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত যে উত্তরাখণ্ডের মতো পাহাড়ি রাজ্যে কীভাবে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে, তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলছে চলতি বর্ষায়। একের পর এক হড়পা বান, ধস, মেঘভাঙা বৃষ্টি জনজীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। স্থানীয় প্রশাসন, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দলগুলির সম্মিলিত চেষ্টায় উদ্ধার কাজ চালু রয়েছে, তবে প্রতিকূল আবহাওয়া সে কাজে মারাত্মক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে (Uttarakhand)।

Related Articles