কলকাতা

নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর জন্য শুভেচ্ছা বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের

সম্প্রতি নেপালের প্রথম অন্তর্বর্তী মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি।

Truth Of Bengal: নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার উত্তরবঙ্গ নেপালের একেবারে সন্নিহিত, আর সেই কারণেই প্রতিবেশী দেশে চলমান অশান্তি নিয়ে শুরু থেকেই নজর রেখেছিলেন তিনি। সম্প্রতি নেপালের প্রথম অন্তর্বর্তী মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে মমতা লেখেন, “নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কারকিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। বাংলা-নেপালের সীমান্ত কাছাকাছি। মানুষের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।”(Mamata Banerjee)

আরও পড়ুনঃ Unidentified Body: অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ডোমকলে

প্রসঙ্গত, ‘জেন জি’ নামে পরিচিত তরুণ প্রজন্মের এক আন্দোলনের জেরে নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকার পতনের মুখে পড়ে। এরপর বুধবার একটি ভারচুয়াল বৈঠকে প্রায় ৫ হাজার যুবা আন্দোলনকারী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করেন। কারকি সমর্থনের জন্য অন্তত ১,০০০ লিখিত স্বাক্ষরের অনুরোধ জানালেও শেষপর্যন্ত তাঁর পক্ষে ২,৫০০-র বেশি স্বাক্ষর জমা পড়ে। এরপর সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল ও রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের অনুমোদন মেলায় কারকি প্রধানমন্ত্রী পদে অভিষিক্ত হন। শুক্রবার রাতে কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবন ‘শীতল নিবাসে’ এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।(Mamata Banerjee)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

উল্লেখ্য, ৭৩ বছর বয়সী সুশীলা কারকি ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত নেপালের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর কড়া অবস্থান তাঁকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এছাড়াও তাঁর ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে—কারণ তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন এবং সেখানে প্রথম স্থানাধিকারীও ছিলেন।

Related Articles