প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন, নেপালে থাকা ভারতীয়দের সতর্ক নয়াদিল্লির
প্রসঙ্গত, দুর্নীতি ও বেকারত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন নেপালের নাগরিকরা।
Truth Of Bengal: এই মুহূর্তে গোটা নেপাল জ্বলছে ভয়াবহ সংঘর্ষের আগুনে। সরকারের সামনে যে মাথানত করবে না, তা বোঝাতে পথে নেমেছে সেই দেশের তরুণ প্রজন্ম। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে এবং সেখানে থাকা সকল ভারতীয়কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে তাঁদের।(Nepal Protest)
আরও পড়ুনঃ Nepal Unrest: নেপালের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করল ভারত
মঙ্গলবার সকালে নয়াদিল্লির তরফ থেকে যেই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, “গতকাল থেকে আমরা নেপালের পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছি। বহু যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। তাতে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। সমবেদনা জানাচ্ছি আমরা মৃতদের পরিবারের প্রতি। দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি আহতদের। কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে নেপালে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের। প্রশাসন যেই নির্দেশ দেবে, তা মেনে চলতে বলা হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, দুর্নীতি ও বেকারত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন নেপালের নাগরিকরা। তার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে। ২০টিরও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উপর নিষেধাজ্ঞা বসানো হয়। এরপরই রীতিমতো তান্ডব চলে গোটা দেশে। পথে নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগ্রানো শুরু করেন তরুণ প্রজন্মরা।(Nepal Protest)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
প্রায় এক লক্ষ পড়ুয়া কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। কারফিউ জারি করা সত্ত্বেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়নি। ভেঙে ফেলা হয় ব্যারিকেড। শেষ পর্যন্ত সেনা নামানো হয়। এই পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে গুলিতে এবং আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫০। অবশেষে পরিস্থিতির চাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। তবে এখনো উত্তপ্ত নেপালের রাজনীতি।(Nepal Protest)






