Santipur Erosion: পুজোর মুখে ছন্দপতন, শান্তিপুরের ভাগীরথীর ভাঙনে আতঙ্ক
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী ভাঙনের গতিপ্রকৃতি এতটাই ভয়ঙ্কর, যে মুহূর্তের মধ্যে জমি তলিয়ে গিয়েছে নদী গর্ভে।
Truth of Bengal: বৈষ্ণবধাম শান্তিপুরে পুজোর ঘটা বেড়েছে।অদ্বৈত-নিত্যানন্দ-শ্রীচৈতন্যের মিলনভূমি বলে পরিচিত শান্তিপুর পুজোয় মেতে উঠতে তৈরি হচ্ছে। শান্তিপুরের পুজো-আয়োজনের মাঝে নদীপার ভাঙন কোথাও যেন আনন্দে ছন্দপতন ঘটাচ্ছে। বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতের বিহারিয়া মঠপাড়া এলাকায় তাতে আতঙ্ক থাবা গেড়েছে। ভাগীরথীর জলে প্রায়শই শুরু হয় ভয়াল ভাঙন। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ে আতঙ্ক।ভাঙনের জেরে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে কয়েক বিঘা চাষের জমি। হাহাকার দেখা দিয়েছে কৃষকদের মধ্যে। এছাড়াও একাধিক আমগাছ চলে গিয়েছে ভাগীরথী করাল গ্রাসে (Santipur Erosion)।
আরও পড়ুনঃ Student Murder: নদীয়ার কৃষ্ণনগরে ছাত্রী খুনের ঘটনায় শনাক্তীকরণের টি আই প্যারেড
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী ভাঙনের গতিপ্রকৃতি এতটাই ভয়ঙ্কর, যে মুহূর্তের মধ্যে জমি তলিয়ে গিয়েছে নদী গর্ভে।আরওজমি যদি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়, তাহলে জমি হারানোর পাশাপাশি জীবিকা হারানোর আশঙ্কা বেড়েছে। দুর্গোত্সবের আগে শান্তিপুরে নদী ভাঙন রোধে রক্ষাকবচ তৈরির চেষ্টা প্রশাসন। ২০২২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত শান্তিপুরে একটানা সংস্কারের কাজ চলছে। কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় রাজ্য সরকার ভাঙন প্রতিরোধে ৫কোটি টাকা ব্যয় করছে। বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী জানিয়েছেন, একাধিকবার এ বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে । গঙ্গার পাড় বাঁধানোর বিষয়ে যেহেতু প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয় । আর এ বিষয়টা সম্পূর্ণ কেন্দ্র সরকারের তত্ত্বাবধানে (Santipur Erosion) ৷
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
কেন্দ্র সরকার কোনও সাহায্য না করার কারণে পাকাপোক্তভাবে গঙ্গা বাঁধানো যাচ্ছে না ।”প্রশাসনিক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। পঞ্চায়েতের প্রধান আশ্বস্ত করেছেন,বাংলার সরকার যথা সম্ভব নদীর আগ্রাসন রোখার চেষ্টা হচ্ছে। পুজোর আনন্দে মেতে ওঠার আগে নদিয়ার জনপদ বাঁচানোর এই প্রয়াস সবমহলের মধ্যে আশা জাগাচ্ছে।মনে করা হচ্ছে,আগামীতে ভাগিরথীর চোরাস্রোত আটকানো যাবে (Santipur Erosion)।






