Folk Theatre: হারিয়ে যাচ্ছে যাত্রা শিল্প! লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পুরুলিয়ায় বিশেষ কর্মশালার আয়োজন
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য পুরুলিয়ায় আয়োজন করা হয় বিশেষ কর্মশালা।
Truth of Bengal: আধুনিক যুগে যাত্রার মতো শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। ফেসবুক,ইউটিউব সহ সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে লোকশিল্পের বায়না কমে গেছে। খোলামঞ্চে অভিনেতাদের রঙিন উপস্থাপনা মনরঞ্জনে যে সাহায্য করে তা যেন এখন বড় একটা দেখা যায় না।গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য পুরুলিয়ায় আয়োজন করা হয় বিশেষ কর্মশালা।পুজোর আগে এই ধরণের লোকসংস্কৃতির প্রসারের ভাবনা বঙ্গ জীবনে বাড়তি রসদ জোগাচ্ছে।যাঁরা যাত্রাপালা দেখেননি তাঁদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার জন্য শিল্পীদের নিয়ে এই কর্মশালা আলাদা সাড়া ফেলছে (Folk Theatre)।
আরও পড়ুনঃ Baruipur Arrest: গতকাল রাতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ চার দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করল বারুইপুর থানার পুলিশ
দর্শক থেকে শ্রোতা সবার কাছে নতুন আঙ্গিকে লোকসংস্কৃতির চিরন্তন মাধ্যমকে তুলে ধরার এ এক অন্যরকম প্রয়াস। লোকনাট্য ও যাত্রাপালা বর্তামন সময়ে বিনোদনের প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়ে উঠছে।রঙিন মঞ্চাভিনয় রকমারি বিষয়,যাতে নব প্রজন্মের মন ছুঁয়ে যায়,সেজন্য বিষয় ভাবনাতেও বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে। মানভূম তথা পুরুলিয়া জেলাতে লোকনাটক তথা যাত্রাপালা বিলুপ্তের মুখে। আগেকার দিনে গ্রামগঞ্জে লোকশিল্পীরা নানা রকমের লোকনাট্য ও লোক নাটক পরিবেশন করত। অনেক শিল্পী যাত্রা পালা করতো। হাজার হাজার মানুষের সমাগম হত লোক নাটক দেখতে। দুর্গাপূজা , কালীপূজা,আগে বিভিন্ন অভিনয়ে যাত্রাপালা রিহারসাল চলতো (Folk Theatre)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
এই কর্মশালায় ৮০জনের কাছে শিল্পী অংশ নেন। মানুষ যাতে যাত্রাপালা দেখার জন্য আসেন, পুরনো আবেগ যাতে ফিরে আসে,সেজন্য প্রচারে জোর দিচ্ছেন প্রশাসনের কর্তারা। সামাজিক পরিবর্তনের বৃহত্তর লক্ষ্যে এই কাজ চলছে। পুরুলিয়া মানভূম কালচারাল আকাদেমি-র জেলা সভাপতি হংশ্বেসর মাহাতো তিনদিনের কর্মশালার গুরুত্ব ব্যাখা করেন। আশা করা হচ্ছে, সীতার বনবাস, তিলোত্তমার বনবাস, এরকম অজস্র লোক নাটক মানুষের হৃদ মাঝারে জায়গা করে নেবে (Folk Theatre)।






