Acid Attack: স্ত্রীর ওপর অ্যাসিড হামলা, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা সহ ১৪ বছর কারাদণ্ড স্বামীর
A man from South 24 Parganas, West Bengal, has been sentenced to 14 years in prison and fined ₹1 lakh for throwing acid on his wife.
Truth Of Bengal: স্ত্রীর মুখে অ্যাসিড ছুড়ে (Acid Attack) খুনের চেষ্টা করেছিল স্বামী। পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটায় অভিযুক্ত। প্রাণে বেঁচে গেলেও অ্যাসিড আক্রান্ত হয়ে চোখ নষ্ট হয়ে যায় তাঁর। ২০২৪ সালের ২৪ জুন এই ঘটনা ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পুজালি থানা এলাকায়। ওই মহিলার স্বামী শেখ আব্বাস ওরফে কালো’র বিরুদ্ধে পুজালি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ওই ঘটনার দিনই আক্রান্ত গৃহবধূর ভাই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
[আরও পড়ুন: Toilet Blast: তৃণমূল কর্মীর বাড়ির শৌচালয়ে বোমা বিস্ফোরণ, আতঙ্কে এলাকাবাসী]
ভারতীয় সংবিধানের তৎকালীন ৩২৬ এ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে একাধিক অভিযোগ উঠে আসে শেখ আব্বাসের বিরুদ্ধে। শুধু অ্যাসিড ছুড়ে মারা নয়, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো শেখ আব্বাস। পুজালি থানার রাজীবপুর পশ্চিম পাড়ায় তাদের পরিবারে এই নিয়ে অশান্তি লেগেই ছিল। হলদিয়া ডকের অয়েল ট্যাঙ্কার চালক ছিল অভিযুক্ত। ঘটনার এক বছরের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এই মামলায় সোমবার শেখ আব্বাস ওরফে কালোকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। মঙ্গলবার সাজা ঘোষণা করলেন বিচারক। আলিপুর জেলা আদালতের বিচারক এই মামলায় দোষী (Acid Attack) সাব্যস্ত হওয়া শেখ আব্বাস ওরফে কালোকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে অপরাধীকে। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মঙ্গলবার সাজা শোনাল আদালত। জানা যায়, ঘটনার পর ওই গৃহবধূর মুখ পুড়ে যায়। চোখ নষ্ট হয়ে যায়। প্রাণে বাঁচলেও কার্যত প্রতিবন্ধী হয়ে গিয়েছেন। এদিন আদালতের রায় শোনার পর অনেকটাই স্বস্তি পেলেন অ্যাসিড আক্রান্ত ওই মহিলার পরিবার। তাদের পরিবারের এক সদস্য জানান, এই দিনটার অপেক্ষায় তারা করছিলেন।
[আরও পড়ুন: Toilet Blast: তৃণমূল কর্মীর বাড়ির শৌচালয়ে বোমা বিস্ফোরণ, আতঙ্কে এলাকাবাসী]
ঘটনার লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার (Acid Attack) পর দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছিল পুজালি থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা হয়ে যায় অভিযুক্ত। পুলিশি তদন্তে খুব বেশিদিন আত্মগোপন করে থাকতে পারেনি অভিযুক্ত। পুলিশের জালে ধরা পড়ে। দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছিল পুলিশ। তার ফলেই দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল। সাজা পেল অভিযুক্ত। ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের এই তৎপরতায় ও সাফল্যে খুশি এই অ্যাসিড আক্রান্ত মহিলার পরিবার।






