Abu Hena: প্রয়াত আবু হেনা, কংগ্রেস নেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ লালগোলা
Former West Bengal minister and senior Congress leader Abu Hena passes away at 75, leaving Lalbagh and the political fraternity in deep mourning.
Truth Of Bengal: প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবু হেনা (Abu Hena)। বয়স হয়েছিল ৭৫। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতিও ছিলেন। রবিবার রাতে সল্টলেকে নিজের বাড়িতে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। সোমবার তাঁর দেহ কলকাতা থেকে লালগোলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
[আরও পড়ুন: Bangladesh: বাংলাদেশের সামনে অসহায় পাকিস্তান, পারভেজের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় জয়]
আবু হেনা পেশায় আইনজীবী ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত লালগোলার কংগ্রেস বিধায়ক ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন আবু হেনা। পরে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ায় জাতীয় কংগ্রেস। সেই সময়ে তিনিও ইস্তফা দেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী মহম্মদ আলির কাছে পরাজিত হন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। আবু হেনার বাবা আব্দুস সাত্তার ছিলেন কংগ্রেস আমলে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য।
আবু হেনার (Abu Hena) প্রয়াণ সংবাদ জানিয়ে সোশাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। তিনি লেখেন, ‘ভাবতে কষ্ট হচ্ছে, আমাদের প্রিয় হেনাদা, আবু হেনা সাহেব আর নেই। গত সপ্তাহেই কলকাতায় দেখা করে এলাম…
আশা করেছিলাম, আবার মুর্শিদাবাদে ফিরে আসবেন, আমাদের মধ্যেই থাকবেন, আগের মতোই শক্ত হাতে পথ দেখাবেন। কিন্তু সেই দেখা যে শেষ দেখা হবে, তা কল্পনাও করিনি। দীর্ঘ পথ চলেছি আমরা একসাথে। কত লড়াই, কত প্রতিকূলতা একসাথে পেরিয়ে এসেছি। অনেক ভাল সময়ের সাক্ষী থেকেছি, আবার অনেক খারাপ সময়েও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থেকেছি। সেই প্রতিটি মুহূর্ত যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে। আর এই কঠিন মুহূর্তে এই প্রথমবার দেখছি, হেনাদা পাশে নেই…।’
[আরও পড়ুন: Bangladesh Air Force Jet: ঢাকার বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে শোকপ্রকাশ ইউনূস, শেখ হাসিনার]
সমাজমাধ্যমের পাতায় অধীর চৌধুরী আরও লিখেছেন, ‘তিনি কেবল প্রাক্তন মন্ত্রী (Abu Hena) বা জেলা কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার সহযোদ্ধা এবং হৃদয়ের আপনজন। তাঁর আদর্শ ও মতাদর্শের প্রতি দায়বদ্ধতা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর জীবনের সততা ও নিষ্ঠা শিক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পরম করুণাময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি হেনাদা যেন জান্নাতবাসী হন। তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সমস্ত শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। আমরা তাঁর স্মৃতি ও আদর্শ বহন করেই লড়াই চালিয়ে যাব। সেটাই হবে আমাদের তরফ থেকে তাঁর প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা।’






