Bengal Flood: নদীভাঙন-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যস্ত কাকদ্বীপ, আরামবাগে প্লাবন পরিস্থিতি ভয়াবহ
শনিবার সকালেই হাওয়া অফিসের তরফে জারি হয়েছে লাল সর্তকতা, যার ফলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
Truth of Bengal: বর্ষায় লাগাতার বর্ষণের জেরে একাধিক নদীর জল বেড়েছে।কোথাও আবার ভাঙন ধরছে নদীপারে। ১মাস আসে কাকদ্বীপের মন্দির ঘাট এলাকায় ৩০ মিটার নদী বাঁধে ধস নামে। রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মন্দিরঘাটের একটি দোকান সহ নদীবাঁধ ধসে যাওয়ায় পারের কিছু অংশ নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। সেই নদী বাঁধ জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। সেচ দফতরের উদ্যোগে গোবদিয়া নদীর পাড় বাঁধার কাজ চলছে জোরকদমে।নদীর ধারে বাঁশের খাঁচার মধ্যেই ইট দিয়ে বাঁধ শক্তিশালী করা হচ্ছে। সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার দের পরিকল্পনা অনুযায়ী মূল নদীবাঁধ থেকে কিছুটা দূরে শুরু হয় রিং বাঁধ তৈরির কাজ। হঠাৎ নদীবাঁধে ধস নামায় বিপত্তি হয়।তাই সেই বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।(Bengal Flood)
[আরও পড়ুনঃ Rice Water: ভাতের ফ্যানের ছোঁয়ায় কোরিয়ানদের মতো ঝকঝকে ত্বক]
লাগাতার প্রবল বর্ষণে ক্রমশই জল বাড়ছে ভাগীরথী নদীতে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের জেরে নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুর সহ একাধিক ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। শনিবার সকালেই হাওয়া অফিসের তরফে জারি হয়েছে লাল সর্তকতা, যার ফলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।(Bengal Flood)
ভাগীরথীর জলস্তর বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ আশেপাশের উঁচু এলাকার বৃষ্টির জল ধেয়ে এসে সরাসরি নদীতে নেমে যাওয়া। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণের কিছু অংশ থেকে প্রবল গতিতে জল নামতে থাকায় হঠাৎ করেই নদীর জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।(Bengal Flood)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
প্লাবন পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হচ্ছে আরামবাগে। আগেই আরামবাগের চার পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অংশ প্লাবিত হয়েছিল। নতুন করে আরও দুটি পঞ্চায়েতের বহু গ্রামে ঢুকেছে জল। একাধিক গ্রামীণ রাস্তায় কোমর সমান জল। বহু মাটি ও টিনের বাড়ির ভিতর জল ঢুকে গিয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র সব জলের তলায়। এর জেরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষকে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরামবাগের মায়াপুর-১, ২, আরাণ্ডি-১, বাতানল, তিরোল, মাধবপুর ও মলয়পুর-১ পঞ্চায়েত এলাকা। অতিভারী বৃষ্টির জেরে উঁচু এলাকা থেকে জল নামছে। পাশাপাশি ডিভিসি ক্রমশ জল ছাড়ায় বিভিন্ন নদনদীগুলির শাখা খাল উপচে একের পর এক গ্রামে জল ঢুকছে। এই পরিস্থিতিতে তরপর হয়েছে প্রশাসন। জলবন্দি মানুষকে উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে আসা হচ্ছে। দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান থেকে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা।






