Kakdwip: `SIR আতঙ্কে আতঙ্কিত কাকদ্বীপের যৌনকর্মীরা, ভোটার লিস্টে নাম তোলার আর্জি
কাকদ্বীপের এই পশ্চিম পাড়ার রূপচাঁদ ঘাট এলাকায় প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে যৌনকর্মীরা বসবাস করে।
লোকেশ হালদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে SIRবাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করেছে BLO। নাম থাকা না থাকার আতঙ্ক কুরে কুরে খাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মানুষের,এবার আতঙ্ক পেয়ে বসলো দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ ব্লকের পশ্চিমপাড়া সংলগ্ন রূপচাঁদ ঘাটের যৌনকর্মীদের। মূলত দুস্থ দরিদ্র অসহায় লাঞ্চিত পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন মহিলারা শুরু নিজেদের সংসার চালাবার তাগিদে যৌনকর্মীর পথ অবলম্বন করেন। এবং তাদের মধ্যে SIR আতঙ্ক ছড়ানোটা একটা নতুনত্ব বলে মনে করা হচ্ছে।
কাকদ্বীপের এই পশ্চিম পাড়ার রূপচাঁদ ঘাট এলাকায় প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে যৌনকর্মীরা বসবাস করে। যাদের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রায় ৩৫ জন মহিলা রয়েছে,কারো সঙ্গে রয়েছে সংসারের দু একজন প্রতিনিধি যাদের মধ্যে সন্তান বৃদ্ধ বাবা-মা বা থাকতে দেখা গেছে। SIR ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্ত যৌনকর্মীদের মধ্যে বহুদিন ধরে মনের মধ্যে চেপে রাখা কষ্ট বেরিয়ে পড়েছে। যদিও বা ৮ থেকে ১০ জনের ভোটার কার্ড বা পরিচয় পত্র রয়েছে। তবে ২০০২ এর লিস্টে নাম রয়েছে মাত্র হাতে গোনা দুই একজনের।
এই সমস্ত যৌনকর্মীদের একটাই প্রশ্ন আমাদের যদি ২০০২ এ নাম না থাকে তাহলে কি আমাদের চলে যেতে হবে। যাদের পরিচয় পত্র বা ভোটার কার্ড রয়েছে তাদের দাবি তাদের ভোটার কার্ডটা বাতিল হয়ে যাবে কিনা। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কি তারা ভোট দিতে পারবে না। এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া অত সোজা না হলেও এস আই আর সমাপ্ত হবার পরেই আসল রহস্য সামনে আসবে। কারা থাকলো কারা বাদ পড়লো,আর যারা বাদ পড়ল তাদের অবস্থা কি হলো। তবে এছাড়া আর আতঙ্ক যে যৌনকর্মীদের মনমরা করে তুলেছে সেটা দেখলেই বোঝা যায়।
এলাকার বহু বিশিষ্ট মানুষের দাবি এই সমস্ত যৌনকর্মীদের জন্য সরকার ভালো কাজ বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক। যার ফলে এরা এই সমাজের ফিরতে পারবে। এখন দেখা আর এস আই আর হয়ে যাওয়ার পর এই সমস্ত যৌনকর্মীদের মুখে হাসি ফুটবে। না আতঙ্ক কুরে কুরে খাবে।






