Sand Smuggling: সাইকেল মিস্ত্রি থেকে কোটিপতি কীভাবে? ইডির জালে জহিরুল, বাড়ি থেকে মিলল লক্ষ লক্ষ টাকা
ED seizes ₹12 lakh in a raid at Sheikh Jahirul Ali’s home in Gopiballavpur over illegal sand smuggling. Former village police.
Truth Of Bengal: বালির অবৈধ কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির জালে ধরা পড়লেন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের বাসিন্দা শেখ জহিরুল আলি(Sand Smuggling)। সোমবার সকালে গোপীবল্লভপুরে তার বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত ১২ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে তল্লাশি এখনও চলছে এবং টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ Glass Tower: বিদেশে নয়, এবার উত্তরবঙ্গের গ্লাস টাওয়ার থেকে দেখুন ডুয়ার্সের সৌন্দর্য
সাইকেল সারাইয়ের সাধারণ কাজ থেকে কীভাবে জহিরুল কোটিপতি হয়ে উঠলেন, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রবল কৌতূহল(Sand Smuggling)। ইডি সূত্রে জানা গেছে, একসময় সাইকেল মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করা এই ব্যক্তি পরবর্তীকালে ভিলেজ পুলিশে যোগ দেন। কিন্তু হঠাৎই তিনি সেই চাকরি ছেড়ে বালি তোলার ব্যবসায় নামেন এবং তার ভাগ্য রাতারাতি বদলে যায়। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তার সম্পত্তি এতটাই বেড়ে যায় যে স্থানীয়দের অনেকেই অবাক।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
গোপীবল্লভপুরের দরিদ্র অধ্যুষিত এলাকায় জহিরুলের বিলাসবহুল তিনতলা বাড়িটি রীতিমতো আলোচনার বিষয়(Sand Smuggling)। সিসিটিভি ক্যামেরায় মোড়া এই বিশাল বাড়িটির সামনে এলাকাবাসীর মুখ খুলতে না চাইলেও তাদের চোখে মুখে বিস্ময় স্পষ্ট।
প্রাথমিক তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে, জহিরুল সুবর্ণরেখা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তুলে তা সরকারি মূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ দামে কলকাতা, রাজ্যের বিভিন্ন অংশ এবং এমনকি ঝাড়খণ্ডেও পাচার করতেন। ইডির এই তল্লাশি অভিযানে বালি পাচার চক্রের আরও বড় মাথাদের নাম সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে তার বাড়ি ও গাড়ি থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






