নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের জয়জয়কার! মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় প্রথম দশে ৭ পড়ুয়া
প্রথম দশের মেধাতালিকায় নরেন্দ্রপুরের রেকর্ড ভাঙা পারফরম্যান্স
গোপাল শীল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাধ্যমিক ২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশিত হতেই আরও একবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। শুক্রবার পর্ষদ ঘোষিত মেধাতালিকায় দেখা গিয়েছে, প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন এই বিদ্যালয়ের সাত-সাতজন ছাত্র। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর সারদা বিদ্যাপীঠের বিদিশা হালদারও ষষ্ঠ স্থান দখল করে জেলার নাম উজ্জ্বল করেছেন।
মেধাতালিকায় নরেন্দ্রপুর মিশনের আধিপত্য
প্রতি বছরের মতো এবারও মাধ্যমিকের রেজাল্টে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের দাপট অব্যাহত। মিশনের মেধাবী ছাত্রদের এই তালিকা কার্যত এক দীর্ঘ নজির স্থাপন করেছে:
-
তৃতীয়: ৬৯৫ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সৌর জানা।
-
পঞ্চম: ৬৯৩ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থান দখল করেছে সমন্তক কুণ্ডু।
-
সপ্তম: সমজ্যোতি দাস ৬৮১ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থান অধিকার করেছে।
-
অষ্টম: যুগ্মভাবে এই স্থানে রয়েছে মিশনের দুই ছাত্র, জীবিতেশ কায়াল ও সৌম্যকান্ত কুইল্যা (উভয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০)।
-
নবম: ৬৮৯ নম্বর পেয়ে নবম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ঐশিক চক্রবর্তী।
-
দশম: ৬৮৮ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় দশম হয়েছে অনুরাগ মণ্ডল।
মিশন কর্তৃপক্ষের মতে, দীর্ঘদিনের শৃঙ্খলা, শিক্ষকদের সঠিক দিশা এবং ছাত্রদের নিরলস পরিশ্রমই এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। ফল প্রকাশের পর থেকেই নরেন্দ্রপুর মিশন চত্বরে খুশির হাওয়া।
সোনারপুরের বিদিশার বাজিমাত
ছেলেরা যখন মিশনের নাম উজ্জ্বল করছে, তখন মেয়েদের মধ্যে দারুণ ফল করে নজর কেড়েছেন সোনারপুর সারদা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী বিদিশা হালদার। ৬৯২ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় ষষ্ঠ স্থান দখল করেছেন তিনি। বিদিশার এই সাফল্যে আপ্লুত তাঁর পরিবার ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বিদিশা জানিয়েছেন, আগামী দিনে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান তিনি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই জোড়া সাফল্য (মিশন ও সারদা বিদ্যাপীঠ) প্রমাণ করে দিল যে, সঠিক পরিকাঠামো এবং জেদ থাকলে মাধ্যমিকে সেরার সেরা হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।





