কলকাতা

ব্রিগেডে শপথ- মহাকরণ তৈরি হতে সময় লাগবে প্রায় আট মাস

সূত্রের খবর, শপথের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে যাবেন ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে।

Truth of Bengal: নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্টা মেনে দুই দফা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক মানুষের জনসমর্থন নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। করতে চলেছে।বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে চলেছে আগামী শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও এনডিএ শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের। সূত্রের খবর, শপথের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে যাবেন ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে সরিয়ে নেওয়া হলেও, নতুন সরকার রাইটার্সকে প্রতীকীভাবে পুনরুজ্জীবিত করার বার্তা দিতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সেখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পরে বিধানসভায় যাবেন এবং সেখান থেকেই আপাতত প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর দিন ৯ মে শপথ অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা ছিল দলের। শনিবার ব্রিকেট ম্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য।বিজেপির বক্তব্য, “সোনার বাংলা” গড়ার প্রতিশ্রুতির সূচনাই হবে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাইটার্স বিল্ডিংয়ের মূল অংশের সংস্কারের কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। গত ১৩ বছরে মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে পূর্ত দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। পুরো সংস্কার সম্পন্ন করতে আরও অন্তত ৬ থেকে ৮ মাস সময় লাগতে পারে।

এরপর বিদ্যুৎ ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিকাঠামো চালু হলে তবেই মন্ত্রীদের সেখানে স্থানান্তর সম্ভব হবে।নিরাপত্তাজনিত কারণে আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর অস্থায়ী অফিস বিধানসভার অ্যানেক্স ভবনে তৈরি হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালীভাবে গড়ে তোলা সম্ভব বলেই মত আধিকারিকদের। অন্যদিকে, মন্ত্রীরা আপাতত নবান্ন, নিউ সেক্রেটারিয়েট ও সল্টলেকের বিভিন্ন সরকারি ভবন থেকেই নিজেদের দফতরের কাজ চালিয়ে যাবেন।

Related Articles