সন্দেশখালিতে বহিরাগতদের আনাগোনা, চলছে উস্কানি ও প্ররোচনা, অশান্ত রাখার গভীর ষড়যন্ত্র!
Outsiders in Sandeshkhali

The Truth of Bengal: স্বাভাবিক জনজীবন কিভাবে অশান্ত হয় তার লাগাতার চেষ্টা চলছে। সন্দেশখালী বিভিন্ন গ্রামে বেড়েছে বহিরাগতদের আনাগোনা। চলছে উস্কানি দেওয়ার কাজ। ছরানো হচ্ছে প্ররোচনা। যেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেখানে প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন সরকারি আধিকারিকরা। সন্দেশখালির পাড়ায় পাড়ায় বিশেষ ক্যাম্প বসিয়ে সরকারি থাকে নথিভুক্ত করা হচ্ছে অভিযোগ। জমি দখলের অভিযোগগুলো বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখছেন ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা। জোর করে দখল করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান অভিযুক্তদের। তারপরও থেমে নেই বিরোধীদের রাজনীতি।
যখন সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে, প্রশাসনিক তৎপরতাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, সরকারি বিশেষ ক্যাম্পে গিয়ে নিজেদের কথা বলছেন তখন কীভাবে সাধারন মানুষের মনে ‘বিষ’ ঢালা যায় তার প্রয়াস অব্যাহত। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে আদালতে মামলা হয়েছে? সেখানকার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন দেখে কী মনে হয় কেন্দ্র বাহিনীর প্রয়োজন? প্রশ্ন তুলছে অনেকেই। সন্দেশখালীকে উপদ্রুত এলাকা বলে দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ আগেই তুলেছে রাজ্যের শাসক দল। সেখানকার সাধারণ মানুষও বিরোধীদের এই বাড়াবাড়ি পছন্দ করছেন না। মুখে মুখে যা প্রচার হচ্ছে, তার সব ঘটনায় কি সঠিক? বাংলা জাগো’র ক্যামেরা নদী-ঘেরা সন্দেশখালির এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত….. ছুটে চলেছে সত্যের সন্ধানে।
কথা বলেছে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সঙ্গে। ক্যামেরার চোখে ধরা পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ছবি। ধরা পড়েছে বহিরাগতদের দাপাদাপির ছবি। ধরা পড়েছে হাজার হাজার মানুষের কর্মব্যস্ততার ছবি। ধরা পড়েছে প্রশাসনের তৎপরতার ছবি। প্রশাসন দিচ্ছে সাহস, বহিরাগতদের পক্ষ থেকে চলছে প্ররোচনার চেষ্টা। সাধারণ মানুষ যখন সাহসের সঙ্গে নিজেদের কথা প্রকাশ্যেই বলছে তখন বোঝা যাচ্ছে ভয়ে নেই সন্দেশখালি। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলছে, লোকসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়, তাই বিরোধিরা শান্তি চাইনা সন্দেশখালিতে। সন্দেশখালীতে শান্তি ফিরলে যে ইস্যু হাতছাড়া হয়ে যাবে।
সুমিত দে, বিকাশ ঘোষ-প্রতিনিধি






