এবার রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় ভাবে ফিরতে চান জন বারলা ও মোহন শর্মা
John Barla and Mohan Sharma want to actively return to the political arena this time
Truth of Bengal:অমল মুন্ডা,আলিপুরদুয়ার : ডুয়ার্সের দুই শ্রমিক মহল্লার নেতা জন বারলা ও মোহন শর্মা সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে চান। চা বাগানের মানুষদের স্বার্থেই এবং তাদের হয়ে আওয়াজ তুলতে ও কাজ করবার লক্ষ্যেই মূলত রাজনীতিতে ফিরতে চান মোহন শর্মা ও জন বারলা বলে দাবি তাদের। শনিবার জন বারালার সাথে সাক্ষাৎ করেন ডুয়ার্সের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা মোহন শর্মা।
বারলার স্ত্রীর মৃত্যুতে তাকে সমবেদনা জানাতেই মূলত এই সাক্ষাৎ বলে দাবি। ২০২৬ সে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, আর তার পূর্বে দুই শ্রমিক নেতার এরূপ সাক্ষাতে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। গত বিধানসভা ভোটের পূর্বে সরকারি নয়টি পদ থেকে ইস্তাফা দিয়ে এবং তৃণমূল ছেড়ে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন মোহন শর্মা। এর পর সক্রিয় রাজনীতিতে নামতে দেখা যায়নি মোহন শর্মাকে।
অপরদিকে, গত লোকসভা ভোটে দল প্রার্থী না করার পর সক্রিয় রাজনীতিতে নেই জন বারলাও। তবে গত জানুয়ারি মাসে হাসিমারা সুভাষিনি ময়দানে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যোগদানের পর তার তৃণমূলে যোগদান নিয়েও শুরু হয়েছিল চর্চা।বর্তমানে তারও রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট নয়। গত লোকসভা ভোটের পূর্বে মোহন শর্মা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি আর বিজেপির সদস্যও নন।
সেই সময় তিনি বলেন, “কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করি, উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে যাওয়ায় রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। বর্তমানে বিজেপির পাশাপাশি কোনো দলেই নেই আমি।যদিও, এ বিষয়ে জন ও মোহন দুই নেতাই মুখ খুলতে নারাজ।এদিনের সাক্ষাতের বিষয়টি জন বারলা বিশেষ কিছু না বললেও, মোহন শর্মা বলেন, “জন বারালার সাথে পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে আমার।তার এই খারাপ সময় তার পাশে দাঁড়াতেই এই সাক্ষাৎ।এছাড়া আমরা রাজনীতির লোক, বেশিদিন রাজনীতির বাইরে থাকতেও পারবো না।”
অপরদিকে, জন বারালার প্রসঙ্গে কিছু মন্তব্য না করলেও মোহন শর্মার রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে আলিপুরদুয়ার সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, “বিজেপিতে যোগদানের পর মোহন শর্মা অন্য কোনো দলে যোগদান করেননি।ফলে আমরা জানি তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন।এছাড়া আগামী নির্বাচনে ওনার মতো অভিজ্ঞ লোক সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলে আমাদের শক্তি বৃদ্ধি হবে।” যদিও, এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইককে ফোন করা সত্ত্বেও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।






