ডিজিটাল যুগেও লোকশিক্ষার প্রবহমাণ ধারা বজায় নাট্যশিল্পীদের, খোলা মঞ্চে পরিবেশিত একাঙ্ক নাটক
Even in the digital age, the current trend of folk education is maintained by dramatists, open stage solo dramas

The Truth Of Bengal: ডিজিটাল যুগেও লোকশিক্ষার প্রবহমাণ ধারা বজায় রাখার আপ্রাণ চেষ্টা নাট্যশিল্পীদের।দক্ষিণ বারাসতের সংস্কৃতি মেলায় সেই নাট্যচর্চার রেওয়াজ দেখা গেল। খোলা মঞ্চে পরিবেশিত হয় একাঙ্ক নাটক।বিরাটী-বারাসতের মতোই হুগলির শিল্পীরাও এই সাংস্কৃতিক চর্চায় অংশ নেন।রাজ্য সরকারও জেলায় জেলায় নাট্যচর্চায় গুরুত্ব দিচ্ছে।
টেলিভিশনের পর ডিজিটাল মিডিয়া।সংস্কৃতির জগতে নানা বদল এসেছে।তবুও এখনও চিরাচরিত নাট্যচর্চাকে আঁকড়ে ধরে সমাজশিক্ষার প্রয়াস নিচ্ছে সরকারিও বেসরকারি নানা সংগঠন।যার জীবন্ত প্রতিফলন দেখা গেল দক্ষিণ বারাসতে। জেনজেডের কাছে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হল জীবনের দর্পণ। সাধারণতঃ মানবজীবনের নানা ঘটনাকে তুলে ধরা হয় নাটকে।রাজ্যের নানা অংশের মতোই বিরাটী-বারাসতের নাট্যশিল্পীরা খোলামঞ্চে জীবনের হাসি কান্না,আনন্দ-বেদনার কথা তুলে ধরলেন।বিনোদনের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হল লোকশিক্ষাও। দক্ষিণ বারাসতের এই একাঙ্ক নাটক পরিবেশিত হয়।খোলামঞ্চে দর্শক মোহিত হয়ে শোনেন বহুমুখী ভাবনার কথা।
কথিত আছে, দেবরাজ ইন্দ্র সৃষ্টির দেবতা ব্রক্ষ্মাকে সব শিল্প থেকে আহরণ করে তিলোত্তমা শিল্প রচনার কথা বলেন।সেইমতো, নৃত্য-গীত-বাদ্য-অভিনয়ের সংমিশ্রণে তৈরি হয় নাটক।সেই নাটকের নানা ভাগ রয়েছে।পৌরাণিক,ঐতিহাসিক,রাজনৈতিকভাগের মতোই সামাজিক বিষয়ও আলাদা আগ্রহ তৈরি করে দর্শকসমাজে।রূপ অনুসারে নাটকের ভাগ হল,লোকনাট্য,গীতিনাট্য,নৃত্যনাট্য,পথনাটিকা রয়েছে।এবার মাইকেল মধুসূদন দত্তের দ্বিশততম জন্ম বর্ষ ও স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণ শতবর্ষ উপলক্ষে দক্ষিণ বারাসত স্টুডেন্টস এন্ড ইয়ুথ কালচারাল ফোরামের পরিচালনায় দক্ষিণ বারাসত শিবদাস আচার্য উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নাটকের আসর আমজনতার মন ভরিয়ে তোলে বলা যায়।প্রশাসনও চায় বেঁচে থাক এই লোকশিক্ষার এই চিরাচরিত মাধ্যম…
Free Access






