Portugal U17 World Cup: অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে বিশ্বসেরা পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৭ ব্রিগেড
২০০৩ সালের পর এই প্রথমবার অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল পর্তুগাল।
Truth of Bengal: বহুদিনের স্বপ্ন এবার পূরণ হল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর উত্তরসূরীদের। পর্তুগালের অনূর্ধ্ব ১৭ ব্রিগেড জয় করল বিশ্বকাপ। বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়াকে ১-০ গোলে হারাল পর্তুগাল, আর তার দৌলতেই প্রথমবার বিশ্বকাপ এল রোনাল্ডোর দেশে। চলতি বছরেই অনূর্ধ্ব ১৭ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল পর্তুগাল। এবার ঘরে এল অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ। গোটা টুর্নামেন্টেই দারুণ পারফরম্যান্স করেছে তারা। কাতারে আয়োজিত হয়েছিল এ বারের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ। গত ২২ বছর এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পায়নি তারা। ২০০৩ সালের পর এই প্রথমবার অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল পর্তুগাল। তবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সেরার শিরোপা পাওয়ার পর থেকেই রোমারিও কুনহারা ফর্মে রয়েছেন। আর সেই ফর্ম দেখা গিয়েছে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই।
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নর্থ ক্যালিডোনিয়াকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন রোনাল্ডোর উত্তরসূরীরা। পরের ম্যাচে মরক্কোর বিরুদ্ধে ৬-০ গোলে দুরন্ত জয়। তবে গ্রুপের শেষ ম্যাচে জাপানের কাছে ১-২ গোলে হেরে যায় রাফায়েল কুইনটাসরা। এর পর আবার নকআউট পর্ব থেকে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে পর্তুগালের জুনিয়র ব্রিগেড। প্রথমে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়, তারপর মেক্সিকোকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন বার্নার্ডো লিমারা। শেষ আটের যুদ্ধে সুইজারল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারায় পর্তুগাল। তবে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ। টাইব্রেকারে জিতে ফাইনালের টিকিট মেলে মাতেউস মিদেদের। এর পর সবচেয়ে বড় দেওয়াল ডিঙিয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়।
এই প্রথমবার ফুটবলে কোনও বিশ্বকাপ এল ঘরে। স্বভাবতই অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ জয়ের পর পর্তুগাল এখন আনন্দের জোয়ারে ভাসছে। দেশের তরুণ প্রতিভাদের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্বয়ং সিআর সেভেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। অনূর্ধ্ব ১৭ পর্তুগাল দলের পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ফুটবল মহলও। কারণ চলতি বছরেই ইউরোপ সেরা এবং বিশ্বসেরা হল এই অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল স্কোয়াড। এই তরুণদের হাত ধরেই কি ভবিষ্যতে দেশে আসবে বড়দের বিশ্বকাপ? সেই আশাতেই এখন বুক বাঁধছেন পর্তুগালের ফুটবলপ্রেমীরা।






