আসন্ন বিশ্বকাপের তিন ম্যাসকট প্রকাশ করল ফিফা
এদিকে আগামী ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের এইরকম তিন ম্যাসকট প্রকাশ করে ফিফা আসলে বোঝাতে চেয়েছেন চরিত্র নয়, আয়োজনের আত্মা।
Truth Of Bengal: আর মাত্র হাতে কয়েকটা মাস। তারপরই আগামী বছর আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ম্যাক্সিকোতে বসবে বিশ্ব ফুটবলের আসর। ফুটবলের সেই মহারণ উপলক্ষ্যে তার ম্যাসকটের ছবি প্রকাশ করে দিল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। এই ব্যাপারে জানা গিয়েছে, যেহেতু আসন্ন বিশ্বকাপ তিন দেশে অনুষ্ঠিত হবে, সেই কারণে তিন দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি হয়েছে ম্যাসকট।(FIFA Mascots)
এই প্রসঙ্গে ফিফার পক্ষ থেকে কানাডার ম্যাসকটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেপল’, মেক্সিকোর নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্রিডম’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্লাচ’। এই তিন চরিত্রের মাধ্যমে আসলে ফিফা তুলে ধরতে চেয়েছে বৈচিত্র্য, ঐক্য, ও সুন্দর খেলার প্রতীককে।(FIFA Mascots)
আরও পড়ুনঃ তালাবদ্ধ শৌচাগার থেকে উদ্ধার ৪০ নাবালিকা, অবৈধ মাদ্রাসা ঘিরে রহস্য ঘনীভূত
ম্যাসকট উন্মোচনের পর ফিফা প্রেসিডেন্ট ইয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, ‘মেপল, ফ্রিডম আর ক্লাচ আনন্দ, শক্তি আর একসঙ্গে থাকার মানসিকতায় পুরোপুরি ভরপুর। ঠিক যেমনটা দেখা যায় বিশ্বকাপে। শিশুদের জার্সি থেকে শুরু করে ভিডিও গেমস, সব জায়গায় এগুলো লাখো মানুষকে একত্রিত করে আনন্দ ও সৌদার্যের বার্তা প্রদান করবে।’(FIFA Mascots)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
এরপর তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি মাসকটেরই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও গল্প। মেপল হল এক মুজ বা কানাডিয়ান হরিণ, যে দেশজুড়ে ভ্রমণ করে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। সংগীতপ্রেমী ও স্ট্রিট কালচারে অভ্যস্ত মেপল একজন শিল্পী, আবার গোলরক্ষক হিসেবেও সে কিংবদন্তি। তার গোল সেভ করার দক্ষতাই তার আসল পরিচয়। এবং ফ্রিডম এসেছে মেক্সিকোর বন থেকে। সে একটি জাগুয়ার, যা ঐতিহ্য, শক্তি ও প্রাণবন্ততার প্রতীক। মাঠে সে রূপ নেয় দুর্দান্ত এক স্ট্রাইকারে, যার গতি ও সৃজনশীলতা প্রতিপক্ষ রক্ষণের জন্য হুমকি। এবং ক্লাচ হল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক সাদা-মাথাওয়ালা ঈগল। দুঃসাহসিক অভিযানে উড়তে উড়তে সে দেশজুড়ে সংস্কৃতি, খেলা ও আনন্দকে আলিঙ্গন করে। এছাড়া ক্লাচ হল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক সাদা-মাথাওয়ালা ঈগল। দুঃসাহসিক অভিযানে উড়তে উড়তে সে দেশজুড়ে সংস্কৃতি, খেলা ও আনন্দকে আলিঙ্গন করে। সামাজিক ও খেলাধুলের প্রতি উন্মাদনায় ভরপুর ক্লাচ একজন আদর্শ মিডফিল্ডারের মতো ভূমিকা পালন করে। অর্থ্যাৎ যেখানেই যাবে, সেখানেই মানুষকে একত্রিত করবে।’(FIFA Mascots)
এদিকে আগামী ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের এইরকম তিন ম্যাসকট প্রকাশ করে ফিফা আসলে বোঝাতে চেয়েছেন চরিত্র নয়, আয়োজনের আত্মা। তাদের বিশ্বাস, এই প্রাণবন্ত প্রতীকগুলোই ছড়িয়ে দেবে ঐক্য আর উদযাপনের আবহ।


