পরিবেশবান্ধব কলাপাতায় খেলে কী উপকার হয় জানেন?
Banana leaf is good for many things

The Truth of Bengal, Mou Basu: যত আমরা আধুনিক হচ্ছি ততই কেতাদুরস্ত স্মার্ট হতে গিয়ে জীবনযাপন হয়ে যাচ্ছে অস্বাস্থ্যকর। আজকাল অনেকেই বাড়িতে, বাইরে রেস্তোরাঁয় বা বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়িতে প্লাস্টিকের বা মেলামাইনের নানান পাত্রে খাবার দাবার খান। জানেন এসব কৃত্রিম ক্ষতিকর জিনিসে খেতে গিয়ে শরীরের কত বড়ো ক্ষতি করে ফেলছেন? অজান্তেই শরীরে কত বিষ ঢুকছে? তাই সময় থাকতে থাকতে সচেতন হন। সিন্থেটিক পাত্রের বদলে ব্যবহার করুন পরিবেশবান্ধব নন টক্সিক কলাপাতা।
কতটা উপকারী কলাপাতায় খাওয়াদাওয়া করা?
১) সিন্থেটিক প্লাস্টিকের পাত্র শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ এসব পাত্রে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে যা শরীরে ঢুকলে ক্ষতি হবে। কিন্তু নন টক্সিন কলাপাতায় খাবার খেলে পাতার থেকে কোনো ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ শরীরে ঢুকবে না।
২) অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল গুণ আছে বলে কলাপাতায় খাবার খেলে খাবারে কোনো ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া থাকলে তা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই কলাপাতায় খেলে রোগভোগের সম্ভাবনা কমে।
৩) কলাপাতায় খাবার খেলে তা প্রকারান্তরে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বৃদ্ধি করে। কলাপাতার নিজস্ব গন্ধ আছে। তাই কলাপাতায় খাবার খেলে সেই খাবার আরও সুস্বাদু হয়ে ওঠে।
৪) কলাপাতায় মেলে পলিফেনলসের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন এ ও সি। তাই কলাপাতায় খাবার খেলে এসব পুষ্টি খাবারেও মেশে। খাবারের পুষ্টি গুণ আরও বাড়ে।
৫) রাসায়নিক দিয়ে তৈরি প্লাস্টিকের পাত্র শুধু আমাদের শরীরেরই নয় পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে। এসব প্লাস্টিকের পাত্র সহজে মাটিতে মিশে যায় না। এসব ক্ষতিকারক রাসায়নিক থেকে পরিবেশ প্রভূত দূষিত হয়। তাই পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে অবশ্যই বায়ো ডিগ্রেডেবল কলাপাতা ব্যবহার করা উচিত। কারণ, কলাপাতা সহজে মাটিতে মিশে যায়।
৬) কলাপাতা ওয়াটারপ্রুফ। তাই কলাপাতায় খাবার খেলে তা লিক করে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৭) কলাপাতায় খাবার খেলে একটা ঐতিহ্যের গন্ধ মেলে। চোখ ও মনের আরাম হয়। খাবার খাওয়া আরও মনোরম হয়।
৮) কলাপাতায় পলিফেনলস থাকে যা হজমে সহায়তা করা উৎসেচকের নিঃসরণে সাহায্য করে। তাই কলাপাতায় খাবার খেলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়।
Free Access






