
The Truth of Bengal: জাতীয় স্তরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্যাশ ফর কোয়্যারি বা অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন করার বিষয়টি।এতদিন যে মহুয়া মৈত্র, কেন্দ্র বিরোধী বক্তব্যে সংসদে ঝড় তুলতেন সেই সাংসদকেই অভিযোগের কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।নিশাকান্ত দুবের দাবি, মহুয়া মৈত্রের বন্ধু জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন দুবাইকেন্দ্রিক শিল্পপতি দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে অর্থও উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।সেই বিতর্কে বাড়তি মাত্রা জোগাতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে মহুয়া নাকি সংসদের ওয়েবসাইটে লগইন করার পাসওয়ার্ড দিয়েছেন শিল্পপতি হিরানন্দানিকে।
একইসঙ্গে বলা হচ্ছে,হিরানন্দানির করে দেওয়া প্রশ্নই নাকি মহুয়া সংসদে তুলতেন।আদৌও এই অভিযোগের কোনও সত্যতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে সংসদীয় এথিক্স কমিটি।সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বৃহস্পতিবার ডাকা হয় বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের পাশাপাশি আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইকেও।তাঁদের কাছ থেকে মেলা তথ্য খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার ডাকা হয়েছে মহুয়া মৈত্রকে।মহুয়ার কাছ থেকে পাওয়া যাবে যেসব তথ্য তা এথিক্স কমিটি যাচাই করে দেখতে তত্পর।ইতিমধ্যে মহুয়া মৈত্র স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আদানির বিরুদ্ধে লাগাতার প্রশ্নবাণের মাসুল গুণতে হচ্ছে তাঁকে,রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তিনি।
প্রতিপক্ষ হিরানন্দানি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁকেও টার্গেট করে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।এখন এথিক্স কমিটি বিচার করবে এই অভিযোগের সত্যাসত্য।অতীতে ২০০৫সালে বিজেপির ৬ সাংসদ সহ ১১জন সাংসদের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগ ওঠে।১১জনই পবন কুমার বনশলের নেতৃত্বাধীন কমিটির তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হন।সেসময় লা্লকৃষ্ণ আদবানী সহ বিজেপি নেতারা. কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের ষড়যন্ত্রের রাজনীতিকে তোপ দাগেন। এখন সেই একই ইস্যু সংসদের অলিন্দ থেকে জাতীয় স্তরের মঞ্চ সর্বত্র উঠে আসছে।
Free Access





