কলকাতা

অঘটন এড়াতে বিসর্জনে জল-আকাশপথে কড়া নজরদারি

বিশেষ করে বিসর্জনের সময় যদি বৃষ্টি হয়, তবে ঘাটে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

Truth Of Bengal:  দুর্গা-প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন কোমরবেঁধে নেমেছে। পুর কমিশনার ধবল জৈন সব বিভাগের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে ঘাটের প্রস্তুতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। প্রতিটি ঘাটে একজন করে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিসর্জন কাজে তদারকি করছেন পুলিশের আধিকারিকরা। ঘাট চত্বরে রাখা হয়েছে অ‌্যাম্বুল‌্যান্স। ঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বিসর্জনের পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করবে কলকাতা পুলিশ। বাড়ি ও বারোয়ারি মিলিয়ে কলকাতায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুজো হয়। এর মধ্যে বাড়ির প্রায় ২৫০টি।(Surveillance)

বিসর্জনের সময় কোনও অঘটন রুখতে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ বা ডিএমজির সঙ্গে কলকাতার ঘাটগুলিতে নৌকা সহ মাঝি ও দাঁড়িদেরও মোতায়েন করেছে লালবাজার। দুর্গাপুজোর পর লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনেও মোতায়েন থাকবেন তাঁরা। বিশেষ করে বিসর্জনের সময় যদি বৃষ্টি হয়, তবে ঘাটে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পুলিশের মতে, এই ক্ষেত্রে নৌকার মাঝিরাও পুলিশের বড় সাহায্যকারী হয়ে উঠবেন।(Surveillance)

কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণে গঙ্গার মূলত ২৪টি ঘাটে দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জন হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে ৬টি বড় দিঘি, যেখানে ঠাকুর বিসর্জন হয়। তার উপর শহরের ১৯টি বড় পুকুর ও সরোবরে ঠাকুর বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। এই বছর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত গঙ্গা ও দিঘি বা সরোবরের ঘাটগুলিতে বিসর্জনের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও বিসর্জনের জন্য ২৫টি নৌকা ভাড়া নিয়েছে লালবাজার। এগুলির মধ্যে কিছু নৌকা মোতায়েন করা হয়েছে রিভার ট্র্যাফিক পুলিশ বা জল পুলিশের নিজস্ব টিম।(Surveillance)