কলকাতা

মুক্তি পেয়ে যেতে পারেন সন্দীপ ঘোষরা, আশঙ্কা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের

Sandeep Ghosh may be released, fears of agitating doctors

Truth Of Bengal: বুধবার জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান করেছেন। তবে তাঁরা একা নয় তাঁদের সঙ্গে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষও। আন্দোলনকারীরা জানান যে, প্রমাণের অভাবে অভিযুক্তরা মুক্তি পেয়ে যেতে পারেন, তাই সিবিআইকে ‘চাপে’ রাখতে তাদের এই উদ্যোগ।

অন্তত ৮০টি নাগরিক সংগঠনের সদস্যরা একত্রিত হয়ে সাল্টলেকে স্লোগান তোলেন। সিবিআই দফতরের সামনে পৌঁছে তারা একটি পথসভাও করেন। যেখানে জুনিয়র ডাক্তাররা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। জুনিয়র ডাক্টর্স ফ্রন্ট (জেডিএফ)সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত একটি মশাল মিছিলের আয়োজন করেছিল।

জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের উদ্যোগে ‘অভয়া মঞ্চ’ নামে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হয়েছে। ওদিন ওই মঞ্চের সদস্যরাই  সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত হাঁটেন। সেখানে, ডাক্তাররা হাসপাতালগুলিতে ‘থ্রেট কালচার’-এর বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

জুনিয়র চিকিৎসক দেবাশিস হালদার বলেন, ‘‘আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে প্রথম থেকে সিবিআই ঢিলেমি দিচ্ছে। এই সমস্ত কারণে সন্দীপ ঘোষ ছাড়া পেয়ে যেতে পারেন। তেমন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। গত ২১ তারিখে আদালতে এই সংক্রান্ত যে শুনানি ছিল, সেখানে সন্দীপকে হাজির করানোই হয়নি। এত গা-ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে কেন সিবিআই? নির্যাতিতার বাবা-মাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।’’

শিয়ালদহেও পাল্টা প্রতিবাদ

শিয়ালদহে নতুন সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডাক্টর্স’ অ্যাসোসিয়েশন (জেডিএ) একটি পৃথক কর্মসূচি আয়োজন করে। সেখানে তারা নির্যাতিতার দ্রুত বিচারের দাবি জানান। শ্রীশ বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের মামলার শুনানি হচ্ছে এই শিয়ালদহ আদালতেই। সিবিআইয়ের জন্য বিচারপ্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। কোনও কোনও দিন তো সিবিআইয়ের আইনজীবী ঠিক সময়ে আদালতে পৌঁছতে পারছেন না।’’

এদিকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিকরা বলেন, “ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়ার একা এই কাজ করতে পারেন না। এর পেছনে আরও বড় মাথা রয়েছে। যতদিন না তাঁদের ধরা হচ্ছে, আমরা রাস্তায় থাকব।”

Related Articles