কলকাতা

Political Defection: প্রান্তিক-রাজন্যাকে ফোন সজলের! তবে কি বিজেপিতে যোগ?

Speculations rise as suspended TMC leaders Rajnanya Haldar and Prantik Halder reportedly receive a call from BJP leader Sajal Ghosh.

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতা ল কলেজের ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি (Political Defection)। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে লাগাতার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও ঘাসফুল শিবির সেই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবং অবস্থান জানিয়েছে এই ব্যাপারে। তাদের বক্তব্য, দল এমন অপরাধ কখনোই বরদাস্ত করবে না সেই যেই করুক না কেন এবং তারাও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়।

[আরও পড়ুন: SSC: এসএসসি মামলায় নয়া মোড়! রাজ্য ও কমিশনের কাছে কী কী নথি তলব হাইকোর্টের?]

এরই মাঝে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত ছাত্রনেত্রী রাজন্যা হালদার। তাঁর অভিযোগ ধৃত মূল অভিযুক্ত মনোজিত মিশ্র নাকি এআই দিয়ে তাঁর নগ্ন ছবি বানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়েছিলেন। এরপর দলের অন্দরেই প্রশ্নের মুখে পড়েন রাজন্যা। শাসক শিবিরের বহু যুবনেতা ও যুবনেত্রী এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের প্রশ্ন, এমনটা যদি সত্যিই হয়ে থাকে, তাহলে সেটা এতদিন ধরে রাজন্যা কাউকে কেন জানাননি। তবে বহিষ্কৃত ছাত্রনেত্রী নিজের যুক্তি তুলে ধরেছেন এই ব্যাপারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বহু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে (Political Defection)।

[আরও পড়ুন: Kakdwip: কলেজ ইউনিয়ন রুমে দাদাগিরি! প্রাক্তন ছাত্রনেতার মাসাজের ছবি ভাইরাল]

এমন পরিস্থিতিতে মনে করা হচ্ছিল যে শীঘ্রই হয়তো বিজেপির পতাকা ধরতে পারেন রাজন্যা ও প্রান্তিক। সেই জল্পনা আরো গাড় হয়ে ওঠে একটি ফোনকলে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে দুজনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের। যদিও কি বিষয়ে কথা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে গেরুয়া শিবিরে যোগদানের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দুজনেই অপ্রাসঙ্গিক বলে এড়িয়ে গেছেন বারবার। যোগদানের প্রস্তাব এসেছে কিনা, সেই ব্যাপারেও যেমন উত্তর দেননি, তেমনি প্রস্তাব পেলে কি করবেন, সেটারও উত্তর দেননি। সুতরাং এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে যে বিজেপিতে যাওয়ার জন্যই হয়তো দুজনে লাগাতার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখে চলেছেন (Political Defection)।

Related Articles