কলকাতা

বচসার জেরে ক্রেতাকে পিটিয়ে মারলেন মদের দোকানের কর্মী

Dhakuria Liquor Shop Incident

The Truth of Bengal: পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শহরে চাঞ্চল্য ।রবিবার দুপুরে ঢাকুরিয়ার একটি মদের দোকানে যান বছর ৪৫এর সুশান্ত মণ্ডল।সেসময় দোকানের কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়।বিবাদ চরমে পৌঁছলে মদের দোকানের কর্মীরা তাঁকে চুলের মুঠি ধরে মারধর করে।সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের ছবি ধরা পড়েছে।খবর পেয়ে যান কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, চলছে তদন্ত। রবিবার ছুটির দিনে আচমকা অশান্তির খবর মেলে ঢাকুরিয়ায়।

অভিযোগ, মদের দোকানে আসা এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করেছেন দোকানেরই কর্মীরা।সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়,বছর ৪৫-র সুশান্ত মণ্ডলকে চুলের মুঠি ধরে মারছে মারমুখী দোকান কর্মীরা।বারবার মাথা ঠুকে দেয় তারা।  কেন এই মারধর? কেন ক্রেতাকে টার্গেট করল দোকানেরই কর্মীরা? মূলতঃ মদ কেনা নিয়ে কলহের জেরেই এই হিংসাশ্রয়ী অবস্থা বলে অনেকের অনুমান। নৃশংসতার এই দৃশ্য সচরাচর শহর কলকাতায় দেখা যায় না।এই অমানবিক ঘটনার কথা জানতে পেরে ছুটে যান স্থানীয় কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। আক্রান্ত সন্তোষ মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির দাবিতে ঢাকুরিয়া মোড় অবরোধ করেন স্থানীয়রা।

অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ঘটনাস্থলে যায় রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ।  স্থানীয় কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। গ্রেফতার করা হয়েছে দুজনকে। কিন্তু কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঢাকুরিয়ার এই অনভিপ্রেত ঘটনায় পুলিশ আইন মাফিক পদক্ষেপ করবে বলে জানান বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। বিকেলের পর পরিস্থিতি সামলাতে ওই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে কলকাতা পুলিশের কমবাট ফোর্স মোতায়েন করা হয়। চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশি নজরদারি রয়েছে।

Related Articles