আবারও রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় টিম, বিজেপিকে তুলোধনা মুখ্যমন্ত্রীর…
Central Team Is Again Coming To The State

The Truth Of Bengal: আবারও রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় টিম। একশদিনের কাজের গরমিল হয়েছে কিনা তা অনুসন্ধান করবে স্পেশাল টিম। ১৫ডিসেম্বর সেই কেন্দ্রীয় টিম কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা করবে।বকেয়া টাকা না দিয়ে রাজ্যে ঘনঘন টিম পাঠানোর এই তোড়জোড়কে তুলোধনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।উত্তরবঙ্গ সফরের আগে কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিজেপিকে অক্সিজেন জোগাতে এই ধরণের টিম এরমধ্যে ১০৭টি এসেছে,বাংলা তার অধিকার আদায় করে নেবে। প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রী যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাও পরিস্কার করে দিয়েছেন।
২০১৯ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসছে কেন্দ্রীয় টিম। কখনও একশদিনের কাজ কখনও আবার আবাস যোজনা নিয়ে একাধিকবার এই কেন্দ্রীয় টিম এসেছে।বেনিয়মের খোঁজ করতেই এই রাজ্য পরিদর্শন বলে কেন্দ্র দাবি করে।কিন্তু কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা অনুসন্ধান করেও আসল বেনিয়মের কারণ খুঁজে পায়নি।ফের এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় টিমের তত্পরতা । কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের তথ্য বলছে,জবকার্ডের বাতিলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ।দেশের বৃহত্তম রাজ্যে জবকার্ড বাতিল হয়েছে,৩ লক্ষ ৫৮হাজার।আর পশ্চিমবঙ্গে জবকার্ড বাতিল হয়েছে ৫হাজারের কাছে।তবুও ৭মাস ধরে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না।৭হাজার কোটি টাকার কাছে আটকে রেখেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।দীর্ঘসূত্রিতা আর দলতন্ত্রের ছায়া পড়ছে গরিব খেটে খাওয়া মানুষগুলোর রুটি-রুজিতে।এই অবস্থায় কেন্দ্রের ফের টিম পাঠানোর চেষ্টাকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বাংলার প্রাপ্য আটকে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরে। কিন্তু ভুয়ো জবকার্ডের নিরিখে শীর্ষে যোগীরাজ্য উত্তর প্রদেশে। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে গ্রমোন্নয়ন মন্ত্রক? বুধবার, দুপুরে কার্শিয়াং রওনা হওয়ার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে নাম না করে বিজেপিকে সবচেয়ে বড় পকেটমার বলে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরমধ্যে সংসদে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং,প্রস্তাব দেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বকেয়া নিয়ে বৈঠকে বসুন।সেই প্রস্তাব শুনে মুখ্যমন্ত্রী জানান,এরআগে ৩বার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে,একাধিকবার চিঠিও লেখা হয়েছে।সময় বের করে ফের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসা যেতে পারে।
রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে বাংলার সরকার সাংবিধানিক পথে এই বকেয়া মেটানোর দাবিপেশ করতে চায় বলেও মুখ্যমন্ত্রী পরিস্কার করে দিয়েছেন।যুক্তারাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেন্দ্র বকেয়া না মেটালে দিল্লি চলোর কর্মসূচিকে কার্যকর করতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস।
Free Access






