আন্তর্জাতিক

Volcanic Eruption: রাশিয়ার ভুমিকম্পে জেগে উঠল কামচাটকার আগ্নেয়গিরি, জারি সতর্কতা

এই প্রসঙ্গে কামচাটকা আগ্নেয়গিরি মোকাবিলা সংস্থার প্রধান ওলগা গিরিনা জানিয়েছেন, ক্রাশেনিন্নিকোভ থেকে শেষ বার লাভা নির্গত হয়েছিল ১৪৬৩ সালের আশেপাশে।

Truth Of Bengal: প্রায় ৬০০ বছরের পর  জেগে উঠল রাশিয়ার কামচাটকার ক্রাশেনিন্নিকোভ আগ্নেয়গিরি (Volcanic Eruption)। রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের এই ঐতিহাসিক আগ্নেয়গিরি থেকে ফের অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সে দেশের ভূতাত্ত্বিকরা। বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করছেন, গত সপ্তাহে রাশিয়ায় হওয়া জোরালো ভূমিকম্পের জেরে এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণ হতে পারে। এই প্রসঙ্গে কামচাটকা আগ্নেয়গিরি মোকাবিলা সংস্থার প্রধান ওলগা গিরিনা জানিয়েছেন, ক্রাশেনিন্নিকোভ থেকে শেষ বার লাভা নির্গত হয়েছিল ১৪৬৩ সালের আশেপাশে। তার পরে আর কোনও অগ্ন্যুৎপাতের তথ্য মেলেনি। প্রায় ছয় শতক পরে ফের লাভা বেরোল এই আগ্নেয়গিরি থেকে।

[আরও পড়ুন: Memory Festival: ঝালদায় শহীদ মনীশ মিশ্র স্মরণে অনুষ্ঠিত হল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব]

তাঁর দাবি, সম্প্রতি হওয়া ভূমিকম্পের প্রভাবে জেগে উঠেছে এই বহু শতাব্দী ধরে নিষ্ক্রিয় আগ্নেয়গিরিটি। ভূমিকম্পের জেরে চিলে, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার মতো দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পরেই কামচাটকার সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ক্লাইয়ুচেভস্কয়-ও অগ্ন্যুৎপাত শুরু করে। রাশিয়ার জরুরি পরিষেবা মন্ত্রক জানিয়েছে, ক্রাশেনিন্নিকোভ থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ছাই উঠে যায় প্রায় ৬,০০০ মিটার (প্রায় ২০,০০০ ফুট) উচ্চতায়। সেই ছাই কুণ্ডলি পাকিয়ে এগিয়ে যায় প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব দিকে। সৌভাগ্যবশত, পথে কোনও জনবসতি না থাকায় হতাহত বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে এই ঘটনার ফলে বিমান চলাচলে বড়সড় বিঘ্ন ঘটে (Volcanic Eruption)।

[আরও পড়ুন: Silent Protest: হুগলীর কানাইপুরে তৃণমূল নেতার হত্যার বিরুদ্ধে কালো ব্যাজ পড়ে মৌন মিছিল]

মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলের উপর দিয়ে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, এটি উচ্চ সতর্কতা স্তর বলেই ধরা হয়। আগ্নেয়গিরির আশেপাশের আকাশপথে চলাচল করা বিমানের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।প্রসঙ্গত, রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে বহু সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এই অঞ্চলকে ‘রিং অফ ফায়ার’-এর অংশ বলা হয়। আগ্নেয়গিরির দিক থেকে এটি বিশ্বের অন্যতম স্পর্শকাতর অঞ্চল। বিজ্ঞানীরা ক্রাশেনিন্নিকোভের এই হঠাৎ জেগে ওঠাকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং উদ্বেগজনক হিসেবেই দেখছেন। এখন অপেক্ষা, এর প্রভাব কতটা দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তৃত হয় (Volcanic Eruption)।

Related Articles