Border Conflict: থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া যুদ্ধ: যুদ্ধবিরতির আর্জি জানালো কাম্বোডিয়া
Cambodia urges an unconditional ceasefire after days of violent clashes with Thailand over the disputed 'Emerald Triangle' region.
Truth Of Bengal: থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া যুদ্ধে নতুন মোড়। তিনদিন আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ পর্বের পর যুদ্ধ বন্ধ করার আর্জি জানানো হলো কাম্বোডিয়ার তরফ থেকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে সেই দেশের দূত ছেয়া কেও এই বিষয়ে জানান(Border Conflict)। তিনি বলেন, “আমাদের তরফ থেকে বিনা কোন শর্তে যুদ্ধবিরতির আর্জি জানানো হয়েছে থাইল্যান্ডকে। শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই আমরা।” এর পরিপ্রেক্ষিতে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিকোরন্দেজ বালানকুরা তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে কাম্বোডিয়া যদি কূটনৈতিক উপায়ে, দ্বিপক্ষীয়ভাবে কিংবা মালয়েশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর আলোচনায় বসতে ইচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে তারাও প্রস্তুত।
[আরও পড়ুন: Messi: অলস্টার ম্যাচে অনুপস্থিতিতে নির্বাসিত মেসি ও আলবা]
প্রসঙ্গত, দুই দেশের যুদ্ধর সূত্রপাত ‘এমারেলড ত্রিকোণ’ নামে এক এলাকা নিয়ে। সেখানে বেশ কয়েকটি পুরোনো দিনের মন্দির রয়েছে, যা নিয়ে সচেতন দু’পক্ষের সাধারণ মানুষ। এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার মধ্যে ১৫ বছর আগে রক্তাক্ত সংঘর্ষ লাগে(Border Conflict)। নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয় গত মে মাসে। এবার সংঘর্ষ আরও উগ্র রূপ নেয় গত বৃহস্পতিবার। ভোররাতে সীমান্তে গুলির লড়াই চলে দুই দেশের সেনার মধ্যে। এরপরই শুরু হয় থাইল্যান্ডের ধ্বংসলীলা। এফ ১৬ যুদ্ধবিমান নিয়ে তারা ঢোকে কাম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে এবং শুরু হয় জোরদার হামলা। অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন এর জেরে।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
তা দেখে শুক্রবার থাই প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে জানানো হয় যে যেভাবে পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, তাতে শীঘ্রই পুরোদমে যুদ্ধ লাগতে পারে(Border Conflict)। অবশেষে কাম্বোডিয়া বিরতির আর্জি জানিয়েছে। এক্ষেত্রে দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্তে আসা হয়। ব্যাপারটা কোন পথে এগোচ্ছে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। তবে অনেকেই মনে করছেন যে এই যুদ্ধ আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।






