আন্তর্জাতিকদেশ

বুধবার থেকেই ভারতীয় পণ্যের ওপর কর চাপানো শুরু করছে আমেরিকা

ইতিমধ্যে আমেরিকার সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে সেই নির্দেশিকার খসড়া।  

Truth Of Bengal: বুধবার থেকেই ভারতের ওপর শুল্কের (US Tariffs) বোঝা চাপানো শুরু করছে আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা ভারতীয় জিনিসপত্রের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ফলে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক যাবে ট্রাম্প সরকারের পকেটে। নয়াদিল্লির ওপর এই শুল্ক চাপানোর কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে। এবার সেই বিষয় নিয়ে নির্দেশিকাও তৈরি করে ফেলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ইতিমধ্যে আমেরিকার সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে সেই নির্দেশিকার খসড়া।

[আরও পড়ুন: Modak Craze: দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনা, রিষড়ার ‘ফেলু মোদকে’ লম্বা লাইন!]

মার্কিন শুল্ক এবং সীমান্ত সুরক্ষা বিভাগের সঙ্গে সহযোগিতায় ভারতের ওপর শুল্ক সংক্রান্ত ওই নির্দেশিকাটি তৈরি করেছে আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর। ওই খসড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২৭ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম জোনের সময় রাত ১২টা ১মিনিট থেকে শুল্ক (US Tariffs) কার্যকর হবে। অর্থাৎ, ভারতীয় সময় অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে এই অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর করছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওই নির্দেশিকায় ট্রাম্পের গত ৬ আগস্টের নির্দেশের কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশিকায় এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমেরিকার প্রতি রাশিয়ার হুমকির মোকাবিলা করতেই ভারতীয় পণ্য আমদানির উপর শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর জানিয়েছে, নির্দেশিকায় উল্লিখিত সময়ের পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢোকা বা গোডাউন থেকে বেরনো ভারতীয় পণ্যের ওপর এই শুল্ক কার্যকর হবে।

[আরও পড়ুন: Modak Craze: দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনা, রিষড়ার ‘ফেলু মোদকে’ লম্বা লাইন!]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওয়েবসাইটে সাত পাতার ওই খসড়া নির্দেশিকায় ভারত এবং রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে তেল কেনে ভারত। সেই কারণেই অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক (US Tariffs) চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আমেরিকার এই শুল্ক-হুমকি যে ভারত মেনে নিচ্ছে না, তা ইতিমধ্যে বেশ কয়েক দফায় স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও যে নিজেদের স্বার্থে রাশিয়া থেকে বিভিন্ন পণ্য কেনে, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছে ভারত। এ অবস্থায় অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের জন্য পথ আরও প্রশস্ত করার লক্ষ্যে এগোতে শুরু করেছে কেন্দ্র।

Related Articles