দেশ

রাষ্ট্রপতি ভবনে ‘মাদার অফ অল ডিলস’-এর সেলিব্রেশন, মেনুতে খাঁটি ভারতীয় খাওয়ার

সেই মেনুকার্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে নেটদুনিয়ায় তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

Truth Of Bengal: ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর কূটনৈতিক অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিজে অতিথিদের স্বাগত জানান এবং তাঁদের জন্য সাজানো হয় খাঁটি ভারতীয় খাবারের মেনু। সেই মেনুকার্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে নেটদুনিয়ায় তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

বিদেশি অতিথিদের জন্য ভারতীয় নিরামিষ খাবার পরিবেশনের প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভবনের খাদ্যতালিকাটি সাজানো হয়েছিল। খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে ছিলেন হিমাচল প্রদেশের শেফ প্রতীক সাধু ও কমলেশ নেগি। তাঁরা হিমাচল ছাড়াও কাশ্মীর, লাদাখ, উত্তরাখণ্ড ও উত্তর-পূর্ব ভারতের স্থানীয় খাবার পরিবেশন করেন। অতিথিদের প্রথমে পরিবেশন করা হয় উত্তরাখণ্ডের জাখিয়া আলু এবং মিলেট পায়েস। মেন কোরসে ছিল উত্তরাখণ্ডের নুডল স্যুপ ও সুন্দরকালা থিচোনি। এই স্যুপে টমেটো ও বিভিন্ন সবজি ব্যবহার করে আটার তৈরি নুডল দেওয়া হয়েছিল। সাথে ছিল মাঠরি, চিজ কাস্টার্ড, লাউ ও গাজরের কঢ়ি।

মেনুতে ছিল কাশ্মীরি গুচি ও সোলান মাশরুম দিয়ে তৈরি পোস্ত-টমেটো, সাথে হিমাচলের স্বরনু ভাত। খাবারের সঙ্গে তিন ধরনের চাটনিও ছিল। মিষ্টি হিসেবে পরিবেশন করা হয়েছিল কাশ্মীরি আপেল কেক। এছাড়া অসম থেকে আনা কফি বিন দিয়ে তৈরি কাস্টার্ডও ছিল মেনুতে।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ২০০৭ সাল থেকে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। দীর্ঘ ১৮ বছরের চেষ্টার পর অবশেষে মঙ্গলবার এই ঐতিহাসিক চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, যা ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন ‘মাদার অফ অল ডিলস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি ভবনে আমন্ত্রিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, শিল্পপতি আকাশ আম্বানি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অতিথিরা। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিজেও বিশেষ বার্তা দেন।