Jagannath Temple Puri: নতুন বছরে ভোরেই মহাপ্রভুর দর্শন! নববর্ষে কত রাত পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির
প্রথা অনুযায়ী ভোর ৫টায় মন্দির খোলার কথা থাকলেও, ২০২৬ সালের প্রথম দিনে রাত ২টো বাজলেই দর্শনার্থীরা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন।
Truth of Bengal: নতুন বছরের শুরুতে জগন্নাথ ভক্তদের জন্য বড়সড় উপহার দিল ওড়িশা সরকার ও মন্দির কর্তৃপক্ষ। ১ জানুয়ারি শ্রীক্ষেত্রে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে জগন্নাথ মন্দিরের দরজা সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক আগে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী ভোর ৫টায় মন্দির খোলার কথা থাকলেও, ২০২৬ সালের প্রথম দিনে রাত ২টো বাজলেই দর্শনার্থীরা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে দেব-দেবীদের বিশ্রামের জন্য মন্দির মাত্র ৩ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হবে।
সাধারণত পুরীর মন্দিরে রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শয়ান আরতি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক রীতি শেষ করে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর ভক্তদের ভিড় অন্যান্য সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় মন্দির কর্তৃপক্ষ এক বিশেষ সময়সূচী নির্ধারণ করেছে। ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টায় মন্দির বন্ধ হবে এবং ১ জানুয়ারি রাত ২টোয় পুনরায় তা খুলে দেওয়া হবে। ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন জানিয়েছেন, রথযাত্রার মতো বিশেষ দিনগুলোতে যে পরিমাণ ভক্ত সমাগম হয়, নববর্ষের দিনও তেমনই ভিড় আশা করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত সময়ের ফলে সাধারণ পুণ্যার্থীরা অনেক বেশি সুযোগ পাবেন মহাপ্রভুর দর্শনের। পুরী জেলা প্রশাসন ও শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের প্রধান অরবিন্দ পাধি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জানান, নতুন বছরের প্রথম দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেই বিপুল জনস্রোত সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মন্দির সারা রাত খোলা থাকছে না, বরং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে রাত ২টোর পর দরজা খোলা হবে। এতে মন্দিরের চিরাচরিত ঐতিহ্যের কোনো ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
যদিও মন্দিরের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সব মহলে সহমত তৈরি হয়নি। সেবায়েতদের একাংশ ইংরেজি নববর্ষের জন্য মন্দিরের সময়সূচী পরিবর্তনের এই নিয়মের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী মধ্যরাত পর্যন্ত বা অসময়ে মন্দির খোলা রাখা ধর্মীয় রীতির পরিপন্থী হতে পারে। তবে বিরোধ থাকলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন ভক্তদের আবেগ ও ভিড় সামলানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।






