আন্তর্জাতিকদেশ

India China Relations: ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হচ্ছে ভারত-চিন, মোদি-জিনপিং বৈঠকে বাড়ছে জল্পনা

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্কিন শুল্কনীতি ঘোষণার পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে একটি চিঠি পাঠান শি জিনপিং।

Truth of Bengal: ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির জেরে ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হচ্ছে ভারত-চিন সম্পর্ক। সাত বছর পর ফের চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে কূটনৈতিক মহল।এহেন পরিস্থিতিতে জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি ঘোষণার পরেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি লিখেছিলেন জিনপিং। তাঁর সেই বার্তার পরই ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্কিন শুল্কনীতি ঘোষণার পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে একটি চিঠি পাঠান শি জিনপিং। আর এই সব কিছুর নেপথ্যে ট্রাম্পের শুল্কনীতি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়়ে তুলতে দুই পড়শির কাছাকাছি আসা যে প্রয়োজন, সেই বার্তাই জিনপিং ওই চিঠিতে দিতে চেয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে (India China Relations)।

আরও পড়ুনঃ Bengal Weather: শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, শনি-রবিতে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের পূর্বাভাস

চিঠিতে আরও উল্লেখ ছিল ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির প্রসঙ্গ, যার কৃতিত্ব দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।ওই সময় থেকেই ভারত-চিন সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করে।বিমান পরিষেবা, রপ্তানিতে ছাড়পত্র সহ একাধিক বিষয়ে অবস্থান বদলায় দুই দেশ। শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়়ে তুলতে দুই পড়শির কাছাকাছি আসা যে প্রয়োজন, সেই বার্তাই জিনপিং ওই চিঠিতে দিতে চেয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের অবস্থান যাচাই করতেই এ ধরনের বার্তা পাঠিয়েছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট (India China Relations)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

উল্লেখ্য, ট্রাম্প সরকারের ৫০ শতাংশ শুল্ক ভারতের উপর চাপানোর পর সেই নীতির বিরুদ্ধে সোজাসুজি ভারতের পাশে দাঁড়ায় চিন। রাজনৈতিক মহলের মতে, আমেরিকার মোকাবিলায় ভারতকে পাশে পেতেই আপাতত কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব সরিয়ে রাখতে চাইছে বেজিং।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রবিবার এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিং ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। দু’দিনের জাপান সফর শেষে সরাসরি চিন পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। ট্রাম্পের শুল্কবোমার পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (India China Relations)।

Related Articles