রাস্তায় নামলেই বিপদ! মধ্যপ্রদেশে পথকুকুরের কামড়ে জখম ৪০
এছাড়া দামোহ জেলা হাসপাতালে আরও পাঁচজন আক্রান্তের চিকিৎসা চলছে।
Truth Of Bengal: দেশ জুড়ে পথকুকুরের আক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন সময়ে ফের মধ্যপ্রদেশে ছড়াল উত্তেজনা। রাজ্যের দামোহ জেলায় মাত্র দু’দিনে পথকুকুরের হামলায় জখম হয়েছেন কমপক্ষে ৪০ জন। যার মধ্যে ৩৫টি হামলা ঘটিয়েছে মাত্র দুটি কুকুর— দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।পাতেরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ অশোক বাদোনিয়া জানান, শুক্রবার ও শনিবার ওই এলাকায় ২৫টি কুকুর কামড়ানোর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, হিংস্র কুকুর দুটিকে অবিলম্বে আটক করা জরুরি, না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।অন্যদিকে বাটিয়াগড় ব্লকের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ বিএম পন্ত জানিয়েছেন, সেখানে একটিমাত্র কুকুরই ১০ জনকে কামড়েছে। এছাড়া দামোহ জেলা হাসপাতালে আরও পাঁচজন আক্রান্তের চিকিৎসা চলছে। জেলা কালেক্টর সুধীর কুমার কোচার জানিয়েছেন, আমি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অবিলম্বে পথকুকুর ধরার নির্দেশ দিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশ। পথকুকুরের হামলা সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে শুক্রবার বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জরিয়ার বেঞ্চ জানিয়েছে— শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড এবং খেলার মাঠের মতো জনবহুল জায়গাগুলি সম্পূর্ণ পথকুকুরমুক্ত রাখতে হবে। আদালতের নির্দেশ, এই সব জায়গার সমস্ত কুকুরকে উদ্ধার করে ডগ শেল্টারে পাঠাতে হবে এবং আট সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।
শুধু পথকুকুর নয়, জাতীয় সড়কের পাশ থেকেও গোরু, ছাগল-সহ সব ধরনের গবাদি পশু সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জাতীয় সড়কে বিশেষ নজরদারি টিম গঠন করা হবে, যারা যত্রতত্র ঘুরে বেড়ানো পশুদের শেল্টার হোমে পাঠাবে। পাশাপাশি, সড়কে পশু ঘোরাফেরা করলে তা জানানোর জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর চালুরও পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান পথকুকুরের হামলার ঘটনার পর এই নির্দেশিকা নতুন করে আলোচনায় এনে দিল পশু নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তার প্রশ্নটিকে।






