Child Labor: জয়পুরে চুড়ির কারখানা থেকে উদ্ধার বিহার থেকে পাচার হওয়া ৭ শিশু শ্রমিক
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুযোগ বুঝে সোমবার রাতে কারখানা থেকে পালিয়ে যায় ওই সাত শিশু। গভীর রাতে তারা আশ্রয় নেয় একটি স্থানীয় কবরস্থানে
Truth of Bengal: দীপাবলির আলোর উৎসবের মাঝেই অন্ধকারে ঢাকা শিশুদের এক ভয়াবহ গল্প উঠে এল রাজস্থানের জয়পুরে। কাচের চুড়ি তৈরির একটি কারখানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিহার থেকে পাচার হওয়া সাত নাবালককে। অভিযোগ, দিনে এক বেলা আধপেটা খাবার দিয়ে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো হতো তাদের। প্রতিবাদ করলেই চলত অকথ্য শারীরিক নির্যাতন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুযোগ বুঝে সোমবার রাতে কারখানা থেকে পালিয়ে যায় ওই সাত শিশু। গভীর রাতে তারা আশ্রয় নেয় একটি স্থানীয় কবরস্থানে (Child Labor)।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ার্ত ও ক্লান্ত অবস্থায় তাদের দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির সহায়তায় শিশুদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মাস দু’য়েক আগে বিহারের গ্রাম থেকে ‘ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার’ নাম করে ওই শিশুদের জয়পুরে নিয়ে এসেছিল গ্রামেরই এক ব্যক্তি, সামসাদ মিয়া। পরে তিনি তাদের কাচের চুড়ি তৈরির কারখানায় বিক্রি করে দেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে ভয়ে কিছু না বললেও পরে বাচ্চারা পুরো ঘটনা খুলে জানায়। জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা দায়ের করে সামসাদকে আটক করা হয়েছে।এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। জয়পুরের কাচের চুড়ির কারখানাগুলিতে শিশু শ্রমের অভিযোগ বহুদিনের (Child Labor)।
আগেও একাধিকবার পুলিশি অভিযান চালানো হলেও পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর প্রায় ৪,০০০ শিশু বিহার থেকে জয়পুরে পাচার হয়, কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ শিশু উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বাকি ৮০ শতাংশই রয়ে যায় অমানবিক শ্রমের সেই অন্ধকার দুনিয়ায়।দেশ যখন দীপাবলির আলোয় আলোকিত, তখন এই শিশুদের জীবনে অন্ধকার কাটবে কবে— সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহলে (Child Labor)।






