লাদাখে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে সোনম ওয়াংচুককে দোষারোপ কেন্দ্রের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে যেই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, "বহু নেতা অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন সোনমকে।
Truth Of Bengal: রাজ্যের স্বীকৃতি সহ একাধিক দাবিতে যে বিক্ষোভ চালানো হচ্ছে লাদাখের নাগরিকদের তরফ থেকে, তারপর উত্তপ্ত সেখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এই আবহাওয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয় এবং এই উগ্র প্রতিবাদের জন্য দায়ী করা হয় জলবায়ু আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে।(Sonam Wangchuk) শুধু সোনম একা নন, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য উঠে এসেছে স্থানীয় এক কংগ্রেস কাউন্সিলর ফুন্টসগ স্ট্যানজিন সেপাগেরের নামও।
আরও পড়ুনঃ গুজরাটের গান্ধীনগরে তুমুল দাঙ্গা! ভাঙা হল পুলিশের গাড়ি, দেখুন ভিডিয়ো
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে যেই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, “বহু নেতা অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন সোনমকে। কিন্তু তিনি তা শোনেননি, উস্কানি দিয়ে গেছেন বিক্ষোভে। এখানেই শেষ নয়, তিনি জনগণকে পর্যন্ত বিভ্রান্ত করেছেন নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের উল্লেখ করে। ওনার উস্কানিমূলক বক্তব্য শুনে অনশনস্থল ত্যাগ করে একদল জনতা উগ্র আন্দোলনের পথে হেটেছেন। শুধু একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নয়, হামলা চালানো হয়েছে লেহের সরকারি দপ্তরেও। এটা স্পষ্ট জনতা এমন হিংসাত্মক আন্দোলনের রাস্তা অবলম্বন করেছেন সোনমের উস্কানিমূলক মন্তব্যের কারণে।” এছাড়া আন্দোলনকারী কংগ্রেস কাউন্সিলরের বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে।(Sonam Wangchuk)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয় বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পরেই। একটি লাদাখ এবং অন্যটি জম্মু ও কাশ্মীর। রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। তবে বুধবার তা উগ্র রূপ নেয়। লেহতে বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ‘এলএবি’র সমর্থকরা জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। তবে কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। পুলিশের তরফ থেকে চেষ্টা করা হয় ছত্রভঙ্গ করার। এমনকি টিয়ার গ্যাস শেল পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।(Sonam Wangchuk)





