lok sabha election 2024: ভোটের আগে প্রচারের পারদ চড়ছে, প্রচারে চমক দেবার চেষ্টা প্রার্থীদের
lok sabha election 2024: Candidates try to surprise the campaign

The Truth of Bengal: ভোটের আগে পায়ে পায়ে জনতার দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রার্থীরা।রিললাইফ থেকে রিয়েল লাইফের রাজনীতিতে আসা দেব, লকেটের মতোই রাজনীতির কড়া পিচে খেলতে অভ্যস্ত প্রার্থীরাও সাড়া ফেলছেন।দমদমে বাম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীর মতোই শ্রীরামপুরে দীপ্সিতা ধরও লাগাতার প্রচার চালাচ্ছেন।সুজনকে হারাতে গরম উপেক্ষা করে প্রচার চালান তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। বর্ধমান দুর্গাপুরে দিলীপ বনাম কীর্তি আজাদের গরমাগরম প্রচারও বেশ নজরকাড়ছে।
ভোটের বঙ্গে প্রচার বরাবরই নজর কাড়ে। প্রচারে টেক্কা দেওয়ার বা তুফান তোলার জন্য ভোটযুদ্ধের সৈনিকরা ময়দানে নেমে পড়েন।উত্সবের সেই রেওয়াজ এই রাজ্যে চড়া সুরে ধরা দিচ্ছে। একইঞ্চি জমি না ছাড়ার পণ করে প্রাণপণ লড়ছেন তৃণমূলের মতোই বিজেপি-বাম-কংগ্রেসও। স্থানীয় পর্যায়ে নানা ফ্যাক্টর থাকলেও দিল্লির মহাযুদ্ধে দেশের ইস্যু বড় হাইলাটসএ উঠে আসছে। বিশ্বসৌন্দর্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র সুন্দরবনে পায়ে পায়ে হেঁটে প্রচার সারেন তৃণমূল নেতৃত্ব।ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। ঘাটালে মন্দির –মসজিদ থেকে জনবহুল এলাকা সর্বত্র ঝড় তুলতে নেমেছেন বাংলা সিনেমার স্টার দেব।ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের টেক্কা তাস হাতে নিয়ে হিরণকে টক্কর দিচ্ছেন তিনি।প্রচণ্ড রোদের মাঝে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ভূমিপুত্র পোঁছে যাচ্ছেন মাটির মানুষদের কাছে।তাঁর মতে,সংগঠনের শক্ত ভিতে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূলের বিকল্প একমাত্র উন্নততর তৃণমূলই।বিরোধীদের হারানোর কোনও ক্ষমতাই নেই ঘাসফুলের প্রার্থীদের।
নানা মহলে এর অপব্যাখা হলেও দেব বুঝিয়ে দেন,তৃণমূলের সঙ্গে খেলার ক্ষমতা বিজেপি বা বামেদের নেই।এদিকে, গ্ল্যামার জগত থেকে অনেকদিন আগেই রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন তিনি।উনিশে হুগলি কেন্দ্র থেকে সাংসদ হন লকেট।এবার তিনি দলের কর্মীদের নানা ক্ষোভ –বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন।জন রোষও টের পাচ্ছেন তিনি।সব কিছুকে পাশে সরিয়ে রেখে প্রচারে সাড়া ফেলার চেষ্টা ছাড়ছেন না হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়।ঢাকের বোলে ভোটের ছন্দে রং ছড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।
হুগলির মতোই বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে প্রচারের উত্তাপ বাড়ছে।সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য নানা আঙ্গিকে প্রচার জমে উঠছে। মন্দিরে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে জনসংযোগ গড়েন দিলীপ ঘোষ। দিলীপকে টক্কর দিতে মাঠ ছাড়ছেন না কীর্তি আজাদ।ব্যাটে –বলে সংযোগ ঘটাতে অভ্যস্ত কীর্তির রাজনীতির ময়দান কাঁপানোর চেষ্টা বেশ নজরকাড়ছে।
রাজনীতির মঞ্চে নামা রাজনীতিকরা কড়া কথায় অভ্যস্ত।গতবার যাদবপুরে লড়লেও এবার পিচ বদলেছেন সুজন চক্রবর্তী।সিপিএম প্রার্থী,টানা প্রচার সারছেন।করজোড়ে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রবীণদের কাছে।কখনও আবার দেখা যায় তাঁকে শিশুদের সঙ্গে ফুল উপহার নিতে। আর সুজন যখন হাল্কা মুডে নজর কাড়ার চেষ্টা করেন তখন তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়,অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিয়ে প্রচার চালান।
আদিবাসী নৃত্য থেকে ডান্ডিয়া নাচের ছন্দে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেন তিনি।সবমিলিয়ে রাজ্যের সুন্দরবন থেকে ঝাড়গ্রাম,চা শিল্পাঞ্চল থেকেপাহাড় সর্বত্র ভোটের প্রচার যে জমজমাট হয়ে উঠছে তা বলাই যায়।






