ভোটের মুখে কি স্বস্তি মিললো আমজনতার? নয়া অর্থবর্ষে রেপো রেট নিয়ে কি ঘোষণা RBI-এর ?
RBI's announcement about the repo rate in the new financial year

The Truth of Bengal: ভোটের মুখে রেপো রেট বাড়াল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। তবে রেপো রেট না বাড়লেও স্বস্তি মিললা না আমজনতার। প্রত্যাশা থাকলেও রেপো রেট অপরিবর্তিত রইল। পাশাপাশি কমল না সুদের হার। তবে সরকারি বাড়ি যাঁদের মেলে না তাঁরা ঋণ নিয়েই বাড়ি তৈরি করেন। গাড়ি কিনতেও অনেকে ব্যঙ্ক ঋণের ওপর নির্ভর করেন। তাই তাঁরা চেয়েছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দিকে।ভাবা হয়েছিল এবার হয়ত রেপো রেট কমবে।কিন্তু যা বাড়ে তা যে কমার লক্ষ্ণণ থাকে না তা ভারতের অর্থনীতির ট্রাডিশনই বলছে।জিনিসের দামই হোক বা পেট্রোল –ডিজেল বা গ্যাসের দর,সামান্য কিছু হেরফের হলেও দামের ঝাঁঝ কমতে দেখতে যায় না।
তার মাঝে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অন্যান্য ব্যাঙ্কগুলোকে যে ঋণ দেয় তাকে বলে রেপো রেট।এবের শীর্য ব্যাঙ্ক সেই সুদের হারে বদল আনেনি।২৪-২৫ অর্থবর্ষে আগামী ৩মাসের জন্য রেপো রেট থাকছে ৬.৫ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস একথা ঘোষণা করেছেন। ফলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে হারে অন্যান্য ব্যাঙ্কগুলোকে ঋণ দিয়ে সুদ নিত সেই একই সুদের হার থাকছে। যাঁরা বাড়ি বা গাড়ি কিনে ট্যাকের কড়ি খরচ করে সুদ মেটাচ্ছেন তাদের এতে কোনও সুরাহা হবে না। তথ্য বলছে, ২০২২ সালের মে মাস থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ে রেপো রেট। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে রেপো রেট না বাড়ানো হলেও ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকেও সুদের হার বাড়ল না।
এই অবস্থায় অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন,প্রত্যাশামতো আর্থিক বৃদ্ধি হবে কিনা। কেন্দ্র ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখালেও মূল্যবৃদ্ধি আর মুদ্রাস্ফীতির মতোই বেকারত্ব,অসম বিকাশ বা আয়ের ব্যবধান আর্থ-সামাজিক বদল আনছে না বলে অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।এই অবস্থায় চলতি অর্থবর্ষে মুদ্রাস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। যেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.৭ শতাংশ,এবার তা দাঁড়িয়েছে ৫.১শতাংশে। তাই আর্থিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার স্বার্থে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মনিটরি পলিসি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে কোনও স্বস্তির হাওয়া নিয়ে আসে কিনা তার দিকে তাকিয়ে অর্থনীতিবিদরাও।






