রাজনীতিরাজ্যের খবর

জয়ের পরে তৃণমূলে যোগ সিপিএমে প্রার্থীর

Panchayat Election 2023

The Truth of Bengal: বাংলায় তৃণমূলের বিকল্প কারা, বাম না বিজেপি? এই নিয়ে বিরোধী শিবিরের দুই দলের দড়িটানাটানি চলে। বিধানসভায় ঘাসফুলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসে পদ্ম।কিন্তু সেই পদ্মের পাপড়ি খসতে থাকায় চর্চা শুরু হয়, ঘাসফুল বিরোধী শিবিরে মুখ রাখতে পারবে তো বিজেপি? পঞ্চায়েতে বিরোধীদলের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়েও টক্কর ভিতরে ভিতরে চলে। সাগরদিঘিতে বোঝাপড়ার ভোট-চিত্র সামনে আসে।

দেখা যায়, সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে বাম-কংগ্রেস পায়  ৪৭.৩৫ শতাংশ ভোট। তৃণমূল পায় ৩৪.৯৩ শতাংশ ভোট, বিজেপি পায় ১৩.৯৪ শতাংশ ভোট। স্পষ্ট হয় রামের ভোট বামে যাওয়ায় কংগ্রেসের হাত শক্ত হয়েছে। কিন্তু পঞ্চায়েতে যদি সেই বোঝাপড়া থাকে তাতে কী হবে? বিজেপি কী বামেদের ভোট ট্রান্সফার করবে? নাকি দুই তরফই তালুক ধরে রাখার তোপধ্বনিতে মাতবে? ভোটবাংলার চালচিত্র বলছে, বিজেপি বামেদের জায়গা ছাড়তে নারাজ। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক নিজেও বিজেপিকে তোপ দাগলেন। আস্ফালনের সুরে নিশানা করেন কেন্দ্রের শাসকদের।

সিপিএম-এর টিকিটে জেতার পরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন জয়ী প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাকুরিয়া পঞ্চায়েতে। ওই প্রার্থীর নাম গীতা হাঁসদা। সহজপুরের ১৬৯ নম্বর গ্রাম সংসদ থেকে জয়ের পরেই তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ওই জয়ী প্রার্থী জানান, তিনি তৃণমূলই করতেন, একটা বিশেষ কারণে সিপিএম-এ গিয়েছিলেন। এবার আবার তৃণমূলে ফিরলেন। জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৮টি আসনের মধ্যে ১৭-টিতেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল।

শুধুমাত্র একটি আসনেই সিপিএম-এর টিকিয়ে জয়ী হন গীতা হাঁসদা। কিন্তু জয়ের পরেই দল বদল করেন তিনি। গীতা বলেন, ‘আমি তৃণমূলই করতাম, একটা কারণের জন্য সিপিএম-এ গিয়েছিলাম। আমি সিপিএম-এ জিতেছি। এখন তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। একা তো পঞ্চায়েতে কিছু করতে পারব না। ওই জন্যই তৃণমূলে যোগ দিলাম।’ যদিও এই ঘটনায় পালটা সিপিএম-এর অভিযোগ, চাপের কারণে দল থেকে তৃণমূলে গিয়েছেন গীতা হাঁসদা। যদিও এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় তৃণমূল।

Related Articles