আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ফোকাস রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লিতে বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির মহাপ্রদর্শন
সরকারি সূত্রে খবর, এবারের মেলায় প্রায় ৭৫০ বর্গমিটার আয়তনের একটি বিশেষ প্যাভিলিয়ন তৈরি করা হবে।
জ্যোতির্ময় দত্ত কলকাতা: এবছরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। আগামী ১৩ থেকে ২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে বসতে চলেছে ৪৫তম ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ারের আসর। আর এই মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে বাংলার শিল্প, বিনিয়োগ, পর্যটন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্য সরকার।
সরকারি সূত্রে খবর, এবারের মেলায় প্রায় ৭৫০ বর্গমিটার আয়তনের একটি বিশেষ প্যাভিলিয়ন তৈরি করা হবে। সেখানে নতুন বাংলার উন্নয়ন, শিল্পায়ন, পরিকাঠামোগত অগ্রগতি এবং পর্যটন সম্ভাবনার পাশাপাশি রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ছবি তুলে ধরা হবে। প্যাভিলিয়নের নকশা, পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এই কাজের জন্য টেন্ডারও ডাকা হয়েছে।
এবারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার মূল ভাবনা ‘বিকাশ অউর বিরাসত’। অর্থাৎ উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। সেই বিষয়কে সামনে রেখেই বাংলার অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে একই ছাতার তলায় তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, প্যাভিলিয়নে রাজ্যের শিল্প ও কৃষিক্ষেত্রের সাফল্যের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের সাফল্যও বিশেষভাবে তুলে ধরা হতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছে সরকার।
সব মিলিয়ে, এবারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় পশ্চিমবঙ্গের প্যাভিলিয়নকে শুধু প্রদর্শনীর জায়গা হিসেবে নয়, বরং রাজ্যের উন্নয়ন, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে নবান্ন। এখন নজর, দিল্লির মঞ্চে কতটা আকর্ষণ তৈরি করতে পারে বাংলার এই বিশেষ আয়োজন।






