‘পাড়ায় পাড়ায় মহালয়ার সুর, এই পরিবেশটাই দরকার ছিল!’ উৎসবের আমেজে মাতলেন দিলীপ ঘোষ
দিলীপ ঘোষ বলেন, বহুদিন পর শহরে এমন এক শারদীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে যা তাঁকে ছোটবেলার স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
Truth of Bengal: মহালয়ার সকালেই কলকাতাকে ঘিরে দুই সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি তুলে ধরলেন রাজ্যের দুই রাজনৈতিক মুখ। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ যেখানে শহরজুড়ে ফিরে পাওয়া শারদীয় আবহে উচ্ছ্বসিত, সেখানে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি—এবার কলকাতায় নেই সেই চেনা উৎসবের উত্তেজনা। দেবীপক্ষের সূচনায় শনিবার সকাল থেকেই শহরের নানা প্রান্তে বাজছে চণ্ডীপাঠ, আগমনির গান। পাড়া-মহল্লা থেকে রাজপথ—সব জায়গাতেই পুজোর প্রস্তুতি চোখে পড়ছে। সেই আবহে নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বহুদিন পর শহরে এমন এক শারদীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে যা তাঁকে ছোটবেলার স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
দিলীপের কথায়, “যেদিকে যাচ্ছি মহালয়ার সুর শুনছি। পাড়ায় পাড়ায় চণ্ডীপাঠ বাজছে। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। এই পরিবেশটাই দরকার ছিল।” তাঁর দাবি, এবার নিয়ম মেনে এবং খোলামেলা উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনে একের পর এক পুজোর উদ্বোধন শুরু হবে এবং মানুষ নির্ভয়ে উৎসবে অংশ নিতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে সন্ধ্যার ইডেন গার্ডেন্সের মহা আয়োজন ঘিরেও চূড়ান্ত ব্যস্ততা চলছে। প্রায় ৩ হাজার ঢাকের শব্দে দেবীপক্ষকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলার দুর্গাপুজোর ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং লোকপরম্পরা তুলে ধরা হবে বিশেষ অনুষ্ঠানে। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার মানুষ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আয়োজক সূত্রে খবর। পাশাপাশি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে দেশ-বিদেশের দর্শকরাও অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। কিন্তু এই একই মহালয়ার কলকাতায় একেবারে অন্য অনুভূতি ধরা পড়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টে। তাঁর মতে, শহরে এবার উৎসবের সেই পুরনো স্পন্দন নেই।
সমাজমাধ্যমে অভিষেক লেখেন, “মহালয়ার সকালে কলকাতাকে এমন নিষ্প্রভ আমি আগে কখনও দেখিনি। সেই উত্তেজনা, উৎসবের আমেজ কিংবা দুর্গাপুজোর সেই চিরচেনা উদ্দীপনা—সবই অনুপস্থিত। যে শহরটি একসময় মহালয়ার সকালে জেগে উঠত, আজ তা যেন অদ্ভুতভাবে স্তিমিত হয়ে পড়েছে।”






