স্বাস্থ্যসচিবের নির্দেশ হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে!’ আর জি করে এবিভিপি-র সম্মেলনে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
শুক্রবার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে এবিভিপি-র চিকিৎসক সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্মেলনের মঞ্চ থেকে এমনই আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
Truth of Bengal: আর জি কর কাণ্ডের পর সেমিনার হল সংলগ্ন ঘর ভাঙা নিয়ে ফের নতুন করে বিতর্ক। ঘটনার পর ওই অংশে সংস্কারের নির্দেশ যদি তৎকালীন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম দিয়ে থাকেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে—শুক্রবার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে এবিভিপি-র চিকিৎসক সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্মেলনের মঞ্চ থেকে এমনই আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মেয়েকে যেখানে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ঘর এবং সংলগ্ন শৌচালয় ঘটনার পর এত দ্রুত কার নির্দেশে ভেঙে সংস্কার করা হয়েছিল।
রত্নার অভিযোগ, “আমার মেয়েকে যেখানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ঘর এবং সংলগ্ন শৌচালয়টি ঘটনার পর রাতারাতি কার নির্দেশে ভেঙে দিয়ে সংস্কার করা হল? যে স্বাস্থ্যসচিব এই নির্দেশের নেপথ্যে ছিলেন, তিনি এখনও কীভাবে নিজের পদে রয়েছেন?” তিনি আরও বলেন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা নষ্ট হবে। তাঁর দাবি, অভয়ার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যদপ্তরের দুর্নীতিরও তদন্ত প্রয়োজন। অভয়ার মায়ের বক্তব্যের পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। তাঁর কথায়, “অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার সময় যদি তৎকালীন স্বাস্থ্যসচিব ওই স্থান ভাঙার বা প্রমাণ নষ্টের কোনও নির্দেশ দিয়ে থাকেন, এবং তিনি যদি এখনও স্বাস্থ্যসচিব পদে বহাল থাকেন, তবে বিষয়টির সত্যাসত্য আমি নিজে খতিয়ে দেখছি।”
শুভেন্দু আরও বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নারায়ণস্বরূপ নিগমকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আর জি করের সংস্কার সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব মূলত পূর্তদপ্তরের। ফলে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে পূর্তদপ্তরকে কোনও লিখিত বা মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। শুভেন্দুর বক্তব্য, তদন্তে যে-ই দায়ী প্রমাণিত হোন না কেন, রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তাঁর আশ্বাস, “অভয়া কাণ্ডে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার। অভয়াকে সুবিচার দেবই। তিলোত্তমা বিচার পাবেই।”





