বিরাটের ম্যাচের টিকিট ৮০ হাজারে! কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেফতার ৪
পুলিশ সূত্রে খবর, বিরাট কোহলির জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার করেই এই কালোবাজারির ব্যবসা চলছিল।
Truth of Bengal: বিরাট কোহলির দল বেঙ্গালুরুর ম্যাচ ঘিরে ভয়াবহ টিকিট কেলেঙ্কারির অভিযোগ সামনে এল। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কালোবাজারিতে আকাশছোঁয়া দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোটা চক্রের সঙ্গে দিল্লি ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার এক শীর্ষ কর্তার যোগ থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, বিরাট কোহলির জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার করেই এই কালোবাজারির ব্যবসা চলছিল। ম্যাচের চাহিদা যত বেশি, টিকিটের দামও তত বাড়ানো হত। বেঙ্গালুরুর ম্যাচের ক্ষেত্রে একটি টিকিটের দাম ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায় বলে অভিযোগ। সাধারণ টিকিটও কয়েক হাজার টাকা থেকে শুরু করে মোটা অঙ্কে বিক্রি করা হচ্ছিল।
ঘটনার সূত্রপাত মাঠের বাইরে সন্দেহজনক ভাবে টিকিট বিক্রির খবর পেয়ে। অভিযান চালিয়ে মুকিম, গুফরান এবং ফৈসল নামে তিন জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক বিনামূল্যের পাস উদ্ধার হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পেট্রল পাম্প কর্মী পঙ্কজ যাদবকেও গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এরা শুধু সামনের সারির মুখ। এর পিছনে আরও বড় চক্র কাজ করছিল।
তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রতি ম্যাচে এক হাজারেরও বেশি টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি হত। বিশেষ করে যেসব ম্যাচে তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতি থাকত, সেসব ম্যাচকে কেন্দ্র করেই সবচেয়ে বেশি লাভ তুলত এই চক্র। ম্যাচ শুরুর সময় যত এগিয়ে আসত, টিকিটের দামও তত বাড়িয়ে দেওয়া হত।
পুলিশের দাবি, পুরো বিষয়টি অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে পরিচালনা করা হত। বৃহস্পতিবার দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার চার কর্তার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন আবার সংস্থার শীর্ষ পদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দল প্রতিটি ম্যাচের কিছু শতাংশ টিকিট স্থানীয় ক্রিকেট সংস্থাকে বিনামূল্যে দেয়। অভিযোগ, সেই টিকিটই গোপনে কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল। ঘটনায় ক্রিকেট মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সমর্থকদের একাংশও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ দর্শকদের বঞ্চিত করেই কোটি টাকার বেআইনি ব্যবসা চালানো হচ্ছিল।






