ছায়াসঙ্গীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে চণ্ডীপুরে মুখ্যমন্ত্রী, চন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে কী কথা হল শুভেন্দুর?
আপ্তসহায়কের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে বুকভরা আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
Truth of Bengal: গত ৬ মে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় যে নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, তার রেশ এখনও কাটেনি রাজ্য রাজনীতিতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং দীর্ঘদিনের আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে পরপর ৪টি গুলি করে খুন করে পেশাদার খুনিরা। রবিবার ছিল নিহতের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। এদিন বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে চন্দ্রনাথবাবুর পৈতৃক ভিটেয় যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তাঁর ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর ঘরের ভেতরে গিয়ে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সবরকম দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
ইউপিআই পেমেন্টের সেই বড় সূত্র!
তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশের তৈরি বিশেষ দল (SIT) জানতে পারে, খুনের পর বালি টোলপ্লাজা দিয়ে পালানোর সময় আততায়ীরা নগদ টাকার বদলে ইউপিআই (UPI) পেমেন্টের মাধ্যমে টোল ট্যাক্স মেটায়। এই একটিমাত্র ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরেই পুলিশ পৌঁছে যায় উত্তরপ্রদেশে। খুনিরা ভিনরাজ্যে গিয়ে গা ঢাকা দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বিহারের বক্সার থেকে একজন পেশাদার শার্প শুটারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই শুটআউটে চন্দ্রনাথবাবুর গাড়ির চালকও গুরুতর জখম হন।
নেপথ্যে কোন প্রভাবশালী? তদন্তে সিবিআই
ধৃত শার্প শুটারদের জেরা করে পুলিশ এটা স্পষ্ট করে নিয়েছে যে, চন্দ্রনাথ রথকে খুনের জন্য বিপুল অংকের সুপারি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই নিখুঁত প্ল্যানিংয়ের মাস্টারমাইন্ড কে? রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি অন্য কোনও গোপন শত্রুতা এর পেছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে পরবর্তীতে এই হাই-প্রোফাইল মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিবিআই (CBI)-এর হাতে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, চন্দ্রনাথ তাঁর পরিবারের সদস্যের মতোই ছিলেন। নিজের অত্যন্ত কাছের মানুষকে হারিয়ে তিনি যে মানসিকভাবে গভীরভাবে শোকাহত, তা আজ চণ্ডীপুরের বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজেই স্পষ্ট ধরা পড়েছে। সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রী খুব দ্রুত সামনে আসবে বলে আশাবাদী নবান্ন।






