রাজ্যের খবর

শ্রীরামপুরে প্রচার শুরু শুভঙ্করের! নববর্ষের ভোরেই তৃণমূল-বিজেপিকে কড়া আক্রমণ

শুভঙ্কর সরকার সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার প্রচার শুরু করলেন।

তরুণ মুখোপাধ্যায় সৌগত রায় হুগলি: পহেলা বৈশাখের সকালে শ্রীরামপুরের কংগ্রেস প্রার্থী শুভঙ্কর সরকার সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার প্রচার শুরু করলেন। তিনি জানান আমাদের এই হুগলি জেলা রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মাটি, তিনি বলে গিয়েছিলেন যত মত তত পথ সেই কথা অনুসরণ করে আজকের কংগ্রেস নতুন করে ভাবার অঙ্গীকার করেছে। অতীতে সময়ের সঙ্গে পাল্লা রেখে বিভিন্ন সময় কংগ্রেস বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতা করেছে, কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলার মানুষ চাইছে কংগ্রেস একা লড়ে মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে এই রাজ্যটাকে আরো সুন্দর এবং সজীব করে তুলুন। ভোট গণতন্ত্রের উৎসব এই উৎসবে সবাই সামিল হয়ে গণতন্ত্র রক্ষার তাগিদে সরকার নির্বাচিত করি কিন্তু এই মুহূর্তে আমার এই কেন্দ্র শ্রীরামপুরে প্রায় ৪৮ হাজার মানুষের নাম বাদ গেছে তারা তো এই উৎসবের অংশ নিতে পারবে না, এই বিষয়টাও সকলের ভাবা উচিত।

ধর্মে ধর্মে বিভাজন করে গণতন্ত্রের উৎসবে ভাগ নেওয়া যায় না। নববর্ষের সকালে তাকে দুকোলি রবীন্দ্র সংগীত গাইবার অনুরোধ করলেন তিনি জানান আমি তো গান গাইতে পারি না, তবে বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি এখানে যারা গান গাইতে পারেন তাঁরা যাতে আরো ভালো করে গান গাইতে পারে সেই চেষ্টাই কংগ্রেস করবে। সার্বিক উন্নয়নের কথা তৃণমূল এবং বিজেপি কেউ চিন্তা করছে না, ধর্মে ধর্মে বিভাজনের লড়াই চলছে, আমি ২০১৬ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে বলেছিলাম ডানকুনির কোল কমপ্লেক্স থেকে কেন উজ্জীবিত করা হবে না, গঙ্গার পশ্চিম শ্রীরামপুর এই শহরে প্রচুর রুট মিল আছে সেই ধুঁকছে সেগুলোকে উজ্জীবিত করার কথা কেউ কখনো ভেবেছে, এখানে প্রচুর মাঝারি এবং কুটির শিল্পের সম্ভাবনা রয়েছে এই জেলায় প্রচুর আলু উৎপন্ন হয়।

ফল উৎপন্ন হয়, ফুল উৎপন্ন হয়, আমার প্রশ্ন রইল এই সমস্ত বিষয়গুলির উপর কেন নজর দেয়া হয়নি এর সঙ্গে সঙ্গে তিনি শ্রীরামপুর বাসীর কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন যদি ঐতিহ্যশালী শহর শ্রীরামপুরের রাজনৈতিক সচেতন মানুষ আমার কণ্ঠস্বর বিধানসভায় পৌঁছবার ব্যবস্থা করেন তাহলে আমি শ্রীরামপুরবাসীকে কথা দিয়ে যাচ্ছি, শ্রীরামপুরের কথা আগে কেন ভাবা হয়নি তা আগামী আমি আমার চিন্তা ভাবনা মধ্য দিয়ে সেই বিষয়গুলি প্রতিফলিত হবে।

Related Articles