Manipur: মণিপুরে বড় সাফল্য! ‘অপারেশন সঙ্কটে’ গ্রেফতার নিষিদ্ধ কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা ‘পেপসি’
পরবর্তী দুই দিন—বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার—পশ্চিম ইম্ফল এবং থৌবল জেলায় ইউকেএনএ-র দুটি ঘাঁটি থেকে আরও চার জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়।
Truth of Bengal: মণিপুরে ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। ‘অপারেশন সঙ্কট’ নামে জঙ্গি দমনে চালানো তল্লাশি অভিযানে তিন দিনে গ্রেফতার হল ১০ জঙ্গি। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন নিষিদ্ধ কুকি জঙ্গিগোষ্ঠী ‘ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি’-র অন্যতম শীর্ষ নেতা এসএস লেফটেন্যান্ট জামখোগিন গুইতে লুফো ওরফে ‘পেপসি’। শনিবার অসম রাইফেলসের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, চূড়াচাঁদপুর জেলার এস মুনুয়াম এলাকা থেকে পাকড়াও করা হয় গুইতেকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দু’টি একে-৪৭ রাইফেল, ১৮১ রাউন্ড গুলি, প্রায় এক লক্ষ টাকা নগদ এবং একটি গাড়ি। পুলিশের দাবি, ভারত-মায়ানমার সীমান্তজুড়ে অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, তোলাবাজি-সহ একাধিক অপরাধে সরাসরি যুক্ত ছিল এই জঙ্গি কমান্ডার।বুধবার রাতে চূড়াচাঁদপুরের জঙ্গলে অভিযানের সময় পেপসি-সহ ছয়জন জঙ্গিকে আটক করে অসম রাইফেলস (Manipur)।
পরবর্তী দুই দিন—বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার—পশ্চিম ইম্ফল এবং থৌবল জেলায় ইউকেএনএ-র দুটি ঘাঁটি থেকে আরও চার জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পেপসির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিষ্ণুপুর জেলায় এক বাবা ও ছেলে সহ মেইতেই সম্প্রদায়ের চার জনকে খুনের ঘটনায়ও তার নাম জড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দুই কুকি জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন এবং ইউনাইটেড পিপল্স ফ্রন্ট – এক বছরের সংঘর্ষবিরতি চুক্তিতে সই করেছিল। কিন্তু ইউকেএনএ-সহ কয়েকটি কুকি সংগঠন কেন্দ্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী সেই সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান শুরু করেছে।দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত মণিপুর (Manipur)।
মাদক ও অস্ত্র পাচার, জাতিগত সংঘর্ষ ও সীমান্ত উত্তেজনায় কার্যত জ্বলছে রাজ্য। প্রশাসনের আশঙ্কা, সীমান্তজুড়ে সক্রিয় জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি কেবল স্থানীয় অশান্তিকেই উসকে দিচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক মাদক ও অস্ত্র বাণিজ্যের পথ খুলে দিচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, জামখোগিন গুইতের গ্রেফতারি ইউকেএনএ-র নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা।তবে সংবেদনশীল মণিপুরে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে প্রশাসনকে (Manipur)।






