Maintenance Allowance: স্বামীর বেতন বাড়লে স্ত্রীর ভরণপোষণও বাড়াতে হবে, রায় দিল্লি হাইকোর্টের!
সোমবার বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ এই রায় দেন। মামলা হয়েছিল এক ৬০ বছরের মহিলার আর্জির ভিত্তিতে, যেখানে তিনি পারিবারিক আদালতের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।
Truth of Bengal: স্বামীর আয় বৃদ্ধি এবং দিন দিন বাড়তে থাকা জীবনযাত্রার খরচকে ভরণপোষণ বাড়ানোর যুক্তিসঙ্গত কারণ বলে মন্তব্য করল দিল্লি হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ এই রায় দেন। মামলা হয়েছিল এক ৬০ বছরের মহিলার আর্জির ভিত্তিতে, যেখানে তিনি পারিবারিক আদালতের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। মামলার ইতিহাস অনুযায়ী, ওই দম্পতি ১৯৯০ সালের এপ্রিলে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে মাত্র দু’ বছর পরেই সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে। মহিলার অভিযোগ ছিল, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং পণ দাবি করা হতো তাঁকে। ২০১২ সালে পারিবারিক আদালত রায় দিয়েছিল যে স্বামীকে মাসিক ১০,০০০ টাকা ভরণপোষণ দিতে হবে স্ত্রীকে (Maintenance Allowance)।
এরপর ২০১৮ সালে মহিলা ভরণপোষণের অঙ্ক বাড়ানোর আবেদন জানান। তাঁর দাবি ছিল, স্বামী শিক্ষক পদে (TGT থেকে PGT) পদোন্নতি পাওয়ায় বেতন বেড়ে গিয়েছিল। যদিও তিনি ২০১৭ সালে অবসর নেন, কিন্তু আরও দু’বছর বাড়তি চাকরির মেয়াদে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ Punjab Floods: পাঞ্জাবে ভয়াবহ বন্যা, ইরাবতীর বন্যায় ভেসে গেল কাঁটাতার
মহিলা আদালতকে আরও জানান, যাঁর আর্থিক সহায়তায় এতদিন তিনি চলতেন—তাঁর বাবা—এরই মধ্যে প্রয়াত হয়েছেন। উপরন্তু, তাঁর চিকিৎসার খরচও দিন দিন বেড়ে চলেছে। কিন্তু পারিবারিক আদালত ২০২3 সালের সেপ্টেম্বরে তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। কারণ হিসেবে আদালত বলেছিল, মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার অঙ্ক ও স্থায়ী আমানত (FD) রয়েছে, যা তাঁর আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রমাণ। মহিলার অভিযোগ ছিল, এই রায় বেআইনি। কারণ ২০১২ সালে ভরণপোষণের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল তাঁর স্বামীর মাসিক ২৮,০০০ টাকা আয়ের ভিত্তিতে, কিন্তু নতুন সময়ে তাঁর আয় বেড়ে হয়েছিল প্রায় ৪০,০০০ টাকা। এছাড়া তিনি দাবি করেন, স্বামী সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর নাম সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেলথ স্কিম (CGHS) কার্ড থেকে বাদ দেন (Maintenance Allowance)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
অন্যদিকে, ৭০ বছরের স্বামী আদালতে জানান, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে অবসর নেওয়ার পর থেকে তাঁর আর্থিক সামর্থ্য যথেষ্ট কমে গিয়েছে। তবে বিচারপতি শর্মা পারিবারিক আদালতের রায় খারিজ করে দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ—২০১২ সালে যে আয়ের ভিত্তিতে ভরণপোষণ ধার্য করা হয়েছিল, বর্তমানে তাঁর পেনশনের আয় তার চেয়ে বেশি। তাই স্বামীর আয় বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ—এই দুই বিষয় ভরণপোষণ বাড়ানোর উপযুক্ত কারণ (Maintenance Allowance)।






