ভেসে যেতে পারে বাংলার এই ৭টি জেলা! সবচেয়ে বন্যাপ্রবণ জেলা গুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ আইআইটির!

The Truth Of Bengal, মৌ বসু: দেশের মধ্যে সবচেয়ে বন্যাপ্রবণ অঞ্চল হল পটনা। এরপরই রয়েছে বাংলার মুর্শিদাবাদ। ২টি জায়গাই গঙ্গা অববাহিকায় অবস্থিত। আইআইটি দিল্লি ও আইআইটি রুরকির গবেষকদের তৈরি জেলাভিত্তিক ‘District level flood severity index’ উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বন্যার ইতিহাস, কত জায়গা জুড়ে বন্যা হয়, কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও কতদিন ধরে প্লাবন চলে, এসব বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয় সমীক্ষার সময়।
দেশের মধ্যে সবচেয়ে বন্যাপ্রবণ জেলা হল-পটনা, মুর্শিদাবাদ, থানে, উত্তর ২৪ পরগনা, গুন্টুর, নাগপুর, গোরক্ষপুর, বালিয়া, পূর্ব চম্পারণ, পূর্ব মেদিনীপুর, মুজফফরনগর, লখিমপুর, কোটা, ঔরঙ্গাবাদ, মালদহ, রাজকোট, প্রয়াগরাজ, বাহরাইচ, আহমেদাবাদ, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, ডিব্রুগড়, আজমগড়, চামোলি, পশ্চিম চম্পারণ, অমরাবতী, পশ্চিম মেদিনীপুর ও সমস্তিপুর। অর্থাৎ বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের তালিকায় রয়েছে বাংলারই ৭ জেলা। গবেষণায় বলা হয়েছে, উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে প্রতি বছর বন্যা না হলেও অতীতের ভয়াবহ বন্যার কারণেই তার নাম উঠেছে তালিকায়।
বন্যাপ্রবণ ৩০ জেলার মধ্যে ১৭টি গঙ্গা অববাহিকায় আর ৩টি ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত। গঙ্গা নদীর অববাহিকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করেন তাই বন্যাপ্রবণ হওয়া চিন্তার বিষয় বলে মনে করেন গবেষকরা। ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বন্যাপ্রবণ রাজ্য অসম। ৫৬ বছরে ৮০০টি ভয়াল বন্যা হয়েছে। এছাড়াও কেরালা, কর্নাটক, উত্তর প্রদেশ আর মহারাষ্ট্রও বন্যাপ্রবণ রাজ্য। সবচেয়ে বেশি বন্যাপ্রবণ হল তিরুবনন্তপুরম, লখিমপুর, ধেমাজী, কামরূপ আর নওগাঁও।






